হামিম পরিবহন নামে নৈশকোচে ডাকাতির সাথে জড়িত ৫
নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
হামিম পরিবহন নামে নৈশকোচে ডাকাতির সাথে জড়িত ৫ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ । সোমবার রাতে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের জেল হাজতে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার দুপুরে পীরগঞ্জ থানায় এক প্রেসব্রিফিংয়ে রংপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজিয়া সুলতানা এ তথ্য জানান। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা ইউনিয়নের আগাচতরা গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে ফিরোজ মিয়া (২৮), কাবিলপুর ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান ওরফে খোকা মিয়ার ছেলে মেহেদি হাসান (২৫), বড়আলমপুর ইউনিয়নের বড়আলমপুর গ্রামের মিয়ামত আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী (৩৮), টুকুরিয়া ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে শাহজাহান আলী (৩০), লুন্ঠিত স্বর্ণ ক্রয়কারী চতরা হাটের জয় জুয়েলার্স এর স্বত্বাধীকারী রুহুল আমিনের ছেলে মনোয়ার হোসেন ওরফে মজিদ (৩৮)।
ুলিশ জানায়, ঢাকা গাবতলী থেকে ছেড়ে আসা কুড়িগ্রাম ভুরুঙ্গামারি গামী ঢাকা মেট্রো ব ১৫-০৯৬৭ নম্বরের হামিম পরিবহনের নৈশকোচে ১৩ জানুয়ারি ভোর রাতে ডাকাতি হয়। ওই ঘটনায় বড়দরগাহ হাইওয়ে থানা পুলিশ হামিম পরিবহন গাড়িটি আটক করে ড্রাইভার, হেলপার ও গাড়ির মালিককে পলাশবাড়ি থানা পুলিশের নিকট সোর্পদ করেন। প্রাথমিক তদন্তের পর সীমানা নির্ধারণ বিষয়ক জটিলতার কারণে ১৫ জানুয়ারি পীরগঞ্জ থানায় মামলা রুজু হয়। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ৫টি চাকু ও লুন্ঠিত মালামালের মধ্য স্বর্ণ সাদৃশ্য কানের দুল, স্বর্ণের নাকফুলসহ ৮টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। যাত্রীদের নিকট থেকে লুন্ঠিত অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত ফিরোজের বিরুদ্ধে ইতিপুর্বের আরও ৩টি ডাকাতির মামলা, গ্রেফতারকৃত মেহেদির বিরুদ্ধে ২টি ডাকাতির মামলাসহ ৩টি ওয়ারেন্ট, জুয়েলার্স ব্যবসায়ী গ্রেফতারকৃত মনোয়ারের বিরুদ্ধে ১টি ডাকাতির মামলা রয়েছে। ডাকাতদলের সদস্যরা গাজীপুর জেলার চান্দুরা বাসষ্ট্যান্ডে যাত্রীবেশে উঠে এবং বগুড়া জেলার শেরপুর ফুড ভিলেজে যাত্রা বিরতিতে ডাকাতির পরিকল্পনা করে। এ সময় প্রত্যেক ডাকাত ধারালো চাকু সঙ্গে রাখে। ড্রাইভার, মালিক, হেলপার ও সুপারভাইজারকে ভয় দেখিয়ে ডাকাত দলের সদস্য মেহেদি গাড়ী নিয়ন্ত্রণে নেয়।
