নেত্রকোনায় হত্যার ঘটনায় একজন আটক
নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে গলা কেটে হত্যার পর মুখ পুড়িয়ে ফেলে রাখা যুবকের পরিচয় শনাক্ত করে হত্যার সাথে জড়িত আহমেদ শান্ত (২১) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। সেইসাথে ছিনতাই করা মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) মো. লুৎফর রহমান।
শুক্রবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করে তিনি আরও বলেন রাইড শেয়ারিং করে মোটরসাইকেল চালক সাইফুল ইসলামকে ঢাকা থেকে নেত্রকোনায় এনে হত্যা করেছে চারজন মিলে। মূলত মোটরসাইকেলটি ছিনতাই করতেই এই হত্যাকান্ডটি ঘটায়। যাতে করে ভিকটিমকে শনাক্ত না করা যায় সেজন্য হত্যার পর মুখ পুড়িয়ে দেয় আগুন দিয়ে।
পুলিশ জানায়, মাসুক ও ফয়সাল নামের দুজনের সাথে চুক্তিতে গত ১৩ মার্চ ঢাকার মিরপুর থেকে চুক্তিতে মোটরসাইকেল ভাড়ায় নিয়ে আসেন সাইফুল। পরদিন ১৪ মার্চ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া আনফিরের হাওরে মোটরসাইকেল চলক সাইফুলকে গলাকেটে হত্যা করে মুখ পুড়িয়ে ফেলে রাখে। লাশ উদ্ধারের পর তাৎক্ষণিক পরিচয় না পেয়ে ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করে ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যে রহস্য উন্মেচন করে জড়িত একজনকে আটক করে।
পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, শুক্রবার ভোরে আহমেদ শান্তকে খালিয়াজুরী উপজেলার লেপসিয়া তদন্ত কেন্দ্রের আশপাশ এলাকা থেকে আটক করা হয়। প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে আটক শান্ত জানায়, তারা গত ১০ দিন ধরে পরিকল্পনা করছিলো একটি মোটরসাইকলে হস্তগত করার। এরই ধারাবাহিকতায় একজনকে এনে হত্যা করে ফেলে রাখে।
এদিকে বৃহস্পতিবার তেতুলিয়ার আনফিরের তেল্লা বালুচরে ভিক্টিম সাইফুল এর গলাকাটা ও মুখমন্ডল আগুনে পোড়া লাশ পাওয়া যায়। সাইফুল ঝিনাইদহ জেলার কোটচাদপুর গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি ভাড়ায় মোটসাইকেল চালাতেন।
এএসপি আরো জানান, এ ঘটনায় জড়িত বাকীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
