যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালীতে কিশোরের আত্মহত্যা
ঢামেক প্রতিনিধি
যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালীতে গলায় ফাঁস দিয়ে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। তার নাম নয়ন মিয়া (১৫)। সে কুতুবখালী আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
রবিবার সকালে একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দুপুর সোয়া বারোটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।
হাসপাতালে নিয়ে আসা মৃতের বাবা রাজা মিয়া জানান, ছেলে নয়ন রাতে মোবাইলের কেনার কথা বলেছিল। তাকে বলি- তোমার পুরাতন মোবাইল বিক্রি করে বাকি যে টাকা লাগে আমি দিবো তুমি কিনে নিও। পরবর্তীতে নয়ন মোটরসাইকেলের আবদার করছিল। তার বাবা পুরাতন মোটরসাইকেলটি বিক্রি করে কিনে দিতে চেয়েছিল। এরপর রাতে ছেলে ঘুমিয়ে পড়ে। ভোররাতে সবাই একসঙ্গে সেহরি খেয়ে সকালে কাজে চলে যান। পরে বাসা থেকে খবর পান নয়ন রুমের দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সাথে গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে। তাকে উদ্ধার করে দুপুরে ঢামেক হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতের বাবা বলেন, তার মায়ের কাছ থেকে জেনেছি সকালে হঠাৎ করে ঘরের গ্লাস ভাঙতে যায়। তার মাকে বলেছিল, আমার কবুতর এনে দাও। এ বলে তার রুমে গিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। তবে ঠিক কি কারণে বা কেন ফাঁস দিয়েছ বলতে পারেনি স্বজনরা।
মৃতের বাবা বলেন, ছেলেকে কখনও কোনো কিছুর অভাব দেইনি। যখন যেটা চেয়েছে সেটাই দিয়েছি। কি কারণে এমন করলো বুঝে উঠতে পারছি না।
মৃত নয়ন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোড়া দায়ের গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী মো. রাজা মিয়ার ছেলে। তারা যাত্রাবাড়ী কুটুখালী বড় মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতো। দুই ভাই, দুই বোনের মধ্যে সে ছিল ছোট।
