উৎসবে অন্দর সাজ

উৎসবকে ঘিরে পরিকল্পনার কমতি নেই। কখন কি করবেন সবকিছুর বিস্তর প্ল্যানিং তো চলছেই। সঙ্গে ইন্টারনেট, লাইফস্টাইল ম্যাগাজিন এবং পত্রিকা ঘেঁটে বেছে নিচ্ছেন আপদমস্তক স্টাইলিশ হয়ে ওঠার মন্ত্র। তবে নিজেরটা তো সারলেন, এবার অন্দরের কিছু পরিবর্তন না আনলেই নয়।

বদলে নিন পর্দা-কুশন
স্যাটিন থেকে সুতি, শিফন এমনকি চিক বা ফাইবার ব্লাইন্ডস পর্দায় সাজে অন্দরমহল। যেহেতু গরম, তাই চোখের স্বস্তির জন্য হালকা রঙের পর্দা রাখুন। পাশাপাশি বসার ঘরের কুশন কভার, সোফার কভার, বিছানার চাদর ইত্যাদি বদলে নিতে ভুলবেন না। বাজেট যদি আরেকটু বাড়াতে চান, তাহলে একই সঙ্গে পাল্টে নিতে পারেন সোফার কভারগুলোও। শোয়ার ঘরের বিছানার চাদরগুলোতে সুতি কাপড়ের প্রাধান্য দিন।

কেমন হবে কুশন-কভার
উৎসব বলে কথা, ভিন্ন রঙের কভার লাগানোই বাঞ্ছনীয়। তবে ঘরের রঙের সঙ্গে মিল থাকে যেন। যেমন- ঘরের রং যদি নিউট্রাল বা প্যাস্টেল শেডের হয়, তবে করাল, টারকয়াজ, কমলা রঙের কথা ভাবতে পারেন। দেয়াল গাঢ় রঙের হলে সোফায় কভার ম্যাট শেড রাখুন এবং সোফার রঙের সামঞ্জস্য রেখে কুশনও বাছুন। সাদা বা সফট টোনের সোফায় মাল্টিকালার ভালো মানাবে। অ্যামব্রয়ডারি কুশনও বেশ জনপ্রিয়। কুশন কভারের ফেব্রিক হিসেবে থাকছে সুতি, সিল্ক ও স্যাটিন সবই।
মেঝের আভিজাত্য
অন্দরের রূপকাহনে কার্পেটের আভিজাত্যই আলাদা। কাঠের মেঝেতে যতটা না ভালো লাগে টাইলস বা মার্বেলের মেঝেতে ততটাই মানানসই। কাশ্মীরি ছাড়াও আছে শতরঞ্জি। রং হিসেবে থাকছে লাল, সবুজ, নীল, খয়েরি কিংবা বেগুনি। পাট, রেক্সিন, প্লাস্টিক, পাতলা রাবার বা অন্যান্য সিনথেটিকের কার্পেটও ব্যবহার করতে পারেন।

অন্দরে আলোকছটা
বিশেষ দিনটিতে ঘরে বিশেষ আলোর ব্যবস্থা রাখুন। বিশাল ঝাড়বাতিই ঘরের জৌলুস বাড়ায় না; হালকা আলোর ছোট মোমবাতিও ঘরে স্বর্গীয় আভা নিয়ে আসতে পারে। ফেয়ারি লাইটস বা মরিচবাতি ঝুলিয়ে দিতে পারেন ঘরে। পর্দার হ্যাঙ্গার, ঘরের আয়না বা দেয়ালের ছবিগুলোর চারপাশে লাগিয়ে রাখতে পারেন ফেয়ারি লাইটসগুলো। বেডরুমে রাখতে পারেন স্ট্যান্ড ল্যাম্প।

লেখা : মোহাম্মদ সুজন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights