ভেনেজুয়েলার ছয় লাখ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার ছয় লাখ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সচিব ক্রিস্টি নোয়েম জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার অভিবাসীদের যে সাময়িক প্রোটেকটেড স্টেটাস দেয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।

জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট থাকার সময় তাদের এই সুবিধা দিয়েছিলেন। তার ফলে ভেনেজুয়েলার ছয় লাখ মানুষ ডিপোর্টেশনের হাত থেকে সাময়িক অব্যাহতি পেয়েছিলেন।

ফক্স নিউজকে নোয়েম জানিয়েছেন, তিনি বাইডেন প্রশাসনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এই সাময়িক প্রোটেকশন স্টেটাসের কারণেই ভেনেজুয়েলার অভিবাসীরা ওয়ার্ক পারমিট পেতেন।

২০১৭ থেকে ২০২১ সালে ট্রাম্প যখন প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হন, তখন এই সাময়িক প্রোটেকশন স্টেটাস তুলে দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেসময় ফেডারেল কোর্ট তার প্রচেষ্টা বানচাল করে দেয়।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) নোয়েম জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার অবিবাসীদের ফেরত পাঠানো নিয়ে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারকো রুবিও-র সঙ্গে আলোচনা করছেন। কীভাবে তাদের ফেরত পাঠানো যায়, সেটা দেখা হচ্ছে। অন্য দেশের অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো নিয়েও কথা হচ্ছে।

তিনি জানিয়েছেন, কিউবার গুয়ান্তেনামো বে-তে যে মার্কিন নৌঘাঁটি আছে, সেখানে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের পাঠানোর কথা ভাবা হচ্ছে। সেখানে আগে কিউবা ও হাইতির অবিবাসীদের রাখা হয়েছে। এটা সেখানকার জেলের থেকে আলাদা জায়গায়।

সাময়িক স্টেটাস প্রোগ্রাম (টিপিএস) হলো কোনো দেশের মানুষ যদি প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা সশস্ত্র অভ্যুত্থানের কারণে বিপর্যয়ের মুখে পড়েন, তাহলে তারা যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারেন। সেখানে এখন ১৭টি দেশের ১০ লাখ মানুষ এই ভাবে আছেন।

ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে বাইডেন প্রশাসন জানিয়েছিল, সে দেশের মানুষকে মানবিক জরুরি অবস্থার কারণে আশ্রয় দেয়া হচ্ছে। সেখানকার শাসকদের অমানবিক শাসনের কারণ দেখিয়ে তাদের টিপিএস-এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

২০২৪ সালে প্রচারের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি সীমান্তে সুরক্ষা বাড়াবেন। বেআইনি অবিবাসীদের ফেরত পাঠাবেন।

সূত্র : ডয়চে ভেলে ও গার্ডিয়ান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights