পুতিনকে হাতি উপহার দিলেন মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান

অনলাইন ডেস্ক

মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লেইং (বামে) ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে হাতি উপহার দিলেন মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লেইং।

আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মিয়ানমার জান্তাপ্রধানের এই উপহার রাশিয়া ও মিয়ানমারের মধ্যকার হাতি কূটনীতির অংশ। সম্প্রতি রাশিয়ার কাছ থেকে ছয়টি যুদ্ধবিমান কিনেছে মিয়ানমার।

মঙ্গলবার মস্কো সফরে যান মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান। সেখানে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে ক্রেমলিনে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। পাশাপাশি মিয়ানমারে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত চুক্তিতেও স্বাক্ষর করেন জেনারেল হ্লেইং। রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ব পরমাণু বিদ্যুৎ কোম্পানি রোসাটমের অর্থায়ন ও তত্ত্বাবধানে নির্মিত হবে এই কেন্দ্র। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদনক্ষমতা হবে ১০০ মেগাওয়াটে এবং নির্মাণ হওয়ার পর কে অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
পুতিনকে হাতি উপহার দিলেন মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান

মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লেইং (বামে) ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে হাতি উপহার দিলেন মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লেইং।

আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মিয়ানমার জান্তাপ্রধানের এই উপহার রাশিয়া ও মিয়ানমারের মধ্যকার হাতি কূটনীতির অংশ। সম্প্রতি রাশিয়ার কাছ থেকে ছয়টি যুদ্ধবিমান কিনেছে মিয়ানমার।

মঙ্গলবার মস্কো সফরে যান মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান। সেখানে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে ক্রেমলিনে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। পাশাপাশি মিয়ানমারে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত চুক্তিতেও স্বাক্ষর করেন জেনারেল হ্লেইং। রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ব পরমাণু বিদ্যুৎ কোম্পানি রোসাটমের অর্থায়ন ও তত্ত্বাবধানে নির্মিত হবে এই কেন্দ্র। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদনক্ষমতা হবে ১০০ মেগাওয়াটে এবং নির্মাণ হওয়ার পর কেন্দ্রটি পরিচালনার দায়িত্বেও থাকবে রোসাটম।

২০০০ সালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল রাশিয়া এবং মিয়ানমারের মধ্যে।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে বড় দুই মিত্রের নাম চীন এবং রাশিয়া। ২০২১ সালে যখন জেনারেল মিন অং হ্লেইংয়ের নেতৃত্বে এক অভ্যুত্থানে গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করল সেনাবাহিনী, সে সময় জান্তাকে সমর্থন করেছিল মস্কো। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সমরাস্ত্র সরবরাহের একটি বড় অংশ আসে রাশিয়া থেকে।

আগামী ৯ মে জাতীয় দিবস উপলক্ষে মস্কোতে সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়েছে। সেই কুচকাওয়াজে অংশ নেওয়ার জন্য জেনারেল মিন অং হ্লেইংয়ের মাধ্যমে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে নিমন্ত্রণ করেছেন পুতিন। সূত্র: রয়টার্সন্দ্রটি পরিচালনার দায়িত্বেও থাকবে রোসাটম।

২০০০ সালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল রাশিয়া এবং মিয়ানমারের মধ্যে।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে বড় দুই মিত্রের নাম চীন এবং রাশিয়া। ২০২১ সালে যখন জেনারেল মিন অং হ্লেইংয়ের নেতৃত্বে এক অভ্যুত্থানে গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করল সেনাবাহিনী, সে সময় জান্তাকে সমর্থন করেছিল মস্কো। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সমরাস্ত্র সরবরাহের একটি বড় অংশ আসে রাশিয়া থেকে।

আগামী ৯ মে জাতীয় দিবস উপলক্ষে মস্কোতে সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়েছে। সেই কুচকাওয়াজে অংশ নেওয়ার জন্য জেনারেল মিন অং হ্লেইংয়ের মাধ্যমে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে নিমন্ত্রণ করেছেন পুতিন। সূত্র: রয়টার্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights