ডিপ্লোমা নার্সদের কোর্স ডিগ্রি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি কোর্সকে স্বতন্ত্র ডিগ্রি হিসেবে গণ্য করার দাবিতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকালে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা স্টুডেন্ট নার্সেস ইউনিয়ন জেলা শাখা। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সংগঠনটির সদস্যসহ বিভিন্ন প্রতিষ্টানের নার্সরা অংশ নেয়।
ঘন্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচীতে সংগঠটির জেলা শাখার সভাপতি জুয়েল মন্ডল, সহ-সভাপতি আরিফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক উৎস কুমার বিশ্বাসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ডিপ্লোমা নার্সদের ডিগ্রি স্বীকৃতি না থাকায় পেশাগত জীবনে তারা নানাবিধ সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে ডিপ্লোমা নার্সিং কোর্সকে সম্মানজনক ডিগ্রি হিসেবে ঘোষণা করার জোর দাবি জানান তারা। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী নার্সরা। তারা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার হাতে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
ঝিনাইদহে টিআর প্রকল্পে চরম অনিয়ম, ফ্ল্যাট সলিংয়ের নামে চলছে মাটি কাটা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালীচরণপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাইদুল মন্ডলের বিরুদ্ধে টিআর (টেস্ট রিলিফ) প্রকল্পে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে উঠেছে, তিনি সরকারি প্রকল্পের অধীনে নির্ধারিত উন্নয়নমূলক কাজের পরিবর্তে ব্যক্তি স্বার্থে শ্রমিক ব্যবহার করছেন এবং প্রকল্পের মূল কাজ ফ্ল্যাট সলিং না করে কেবল মাটি কেটে শেষ করছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস থেকে জানা যায়, কালীচরণপুর ইউনিয়নের বড়কামারকুন্ডু গ্রামের ইসরাইলের বাড়ী থেকে মনা খন্দকারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা ফ্লাট সলিং করার প্রকল্প রয়েছে। রাস্তা বালি ও ইট দিয়ে মাধ্যমে উন্নয়ন করার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে সেখানে কোনো সলিংয়ের চিহ্ন নেই। রাস্তার ওপর সামান্য মাটি ফেলে সমতল করার কাজ করে দায়সারা একটি কার্যক্রম চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এছাড়া বুধবার ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান টিআর প্রকল্পের ৭ জন শ্রমিককে দিয়ে তার ব্যক্তিগত মরিচ ক্ষেতে নিড়ানোর কাজ করিয়েছেন। সরকারি প্রকল্পের শ্রমিকদের দিয়ে ব্যক্তিগত জমিতে কাজ করানো সম্পূর্ণ বেআইনি।
এ ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান আলী বলেন, “টিআর প্রকল্প জনগণের কল্যাণের জন্য। কিন্তু আমাদের ওয়ার্ডের মেম্বার নিজেই যদি সেটা ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করেন, তাহলে জনগণ যাবে কোথায়?”
স্থানীয় গৃহবধূ পাখি খাতুন বলেন,”আমরা শুনছিলাম রাস্তায় ইট বসবে, চলাফেরা ভালো হবে। এখন দেখি শুধু মাটি ফেলে গেছে। এতে তো বর্ষায় কাদায় চলা অসম্ভব হবে।”
এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তদন্তপূর্বক ইউপি সদস্য সাইদুল মন্ডলের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা বলেন, কাজে অনিয়ম করার কোন সুযোগ নেই। কোন প্রকার অনিয়ম হলে আমরা ব্যবস্থা নিব।
