ইসরায়েলি সামরিক বহরে কাসাম বিগ্রেডের হামলা

অনলাইন ডেস্ক

হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসাম ব্রিগেড গাজার দক্ষিণে খান ইউনুসের পূর্বাঞ্চল আবাসান আল-কাবিরায় ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর একটি সফল হামলার দাবি করেছে। ব্রিগেডের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের যোদ্ধারা ইসরায়েলি সেনা এবং সামরিক যানবাহনে হামলা চালায়।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, আল-কাসা অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ইসরায়েলি সামরিক বহরে কাসাম বিগ্রেডের হামলা
সংগৃহীত ছবি

হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসাম ব্রিগেড গাজার দক্ষিণে খান ইউনুসের পূর্বাঞ্চল আবাসান আল-কাবিরায় ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর একটি সফল হামলার দাবি করেছে। ব্রিগেডের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের যোদ্ধারা ইসরায়েলি সেনা এবং সামরিক যানবাহনে হামলা চালায়।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, আল-কাসাম যোদ্ধারা ইসরায়েলের একটি মেরকাভা ট্যাংক ও একটি সাঁজোয়া যানকে ‘ইয়াসিন-১০৫’ অ্যান্টি-আর্মার রকেট দিয়ে আঘাত করে। একই অভিযানে তারা ইসরায়েলি বাহিনীর দুটি সামরিক খননযন্ত্রকেও (এক্সকাভেটর) একই ধরনের অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।

আল-কাসাম ব্রিগেড জানায়, অভিযানের সময় তাদের যোদ্ধারা একজন ইসরায়েলি সেনাকে জীবিত ধরার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্রের জটিল পরিস্থিতির কারণে তারা সে চেষ্টা সফল করতে পারেনি। পরবর্তীতে তারা ওই সেনাকে হত্যা করে এবং তার অস্ত্র কেড়ে নেয়।

অভিযান শেষে এলাকায় একটি ইসরায়েলি সামরিক হেলিকপ্টার অবতরণ করতে দেখা যায়। আহত বা নিহত সেনাদের সরিয়ে নিতে হেলিকপ্টারটি এসেছিল বলে ব্রিগেড দাবি করেছে। এতে বোঝা যায়, ওই এলাকায় সংঘর্ষ কতটা তীব্র ছিল।

আল-কাসাম ব্রিগেড আরও জানিয়েছে, এর ঠিক পাঁচ দিন আগে তারা একই এলাকায় একটি শক্তিশালী ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ব্যবহার করে একটি মারকাভা ট্যাংক লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল। এই ধারাবাহিক হামলা প্রমাণ করে যে, খান ইউনুসের পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি মাটিতে স্থল অভিযানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: আল মায়াদিনম যোদ্ধারা ইসরায়েলের একটি মেরকাভা ট্যাংক ও একটি সাঁজোয়া যানকে ‘ইয়াসিন-১০৫’ অ্যান্টি-আর্মার রকেট দিয়ে আঘাত করে। একই অভিযানে তারা ইসরায়েলি বাহিনীর দুটি সামরিক খননযন্ত্রকেও (এক্সকাভেটর) একই ধরনের অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।

আল-কাসাম ব্রিগেড জানায়, অভিযানের সময় তাদের যোদ্ধারা একজন ইসরায়েলি সেনাকে জীবিত ধরার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্রের জটিল পরিস্থিতির কারণে তারা সে চেষ্টা সফল করতে পারেনি। পরবর্তীতে তারা ওই সেনাকে হত্যা করে এবং তার অস্ত্র কেড়ে নেয়।

অভিযান শেষে এলাকায় একটি ইসরায়েলি সামরিক হেলিকপ্টার অবতরণ করতে দেখা যায়। আহত বা নিহত সেনাদের সরিয়ে নিতে হেলিকপ্টারটি এসেছিল বলে ব্রিগেড দাবি করেছে। এতে বোঝা যায়, ওই এলাকায় সংঘর্ষ কতটা তীব্র ছিল।

আল-কাসাম ব্রিগেড আরও জানিয়েছে, এর ঠিক পাঁচ দিন আগে তারা একই এলাকায় একটি শক্তিশালী ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ব্যবহার করে একটি মারকাভা ট্যাংক লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল। এই ধারাবাহিক হামলা প্রমাণ করে যে, খান ইউনুসের পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি মাটিতে স্থল অভিযানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: আল মায়াদিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights