নড়াইল শহরের ভওয়াখালী সঃ প্রাঃ বিঃ স্কুল প্রাঙ্গন জলাবদ্ধ
মোঃমহিউদ্দীন
নড়াইল পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভওয়াখালী সরকারি স্কুলের দু’টি ভবন রয়েছে।সামান্য বৃষ্টিতে মাঠের মধ্যে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে স্কুলের মাঠে এখন হাটু পনি। শুধু তাই নয় দু’টি ভবনের বারান্দায় পানি উঠে গেছে। ফলে শিক্ষার্থীদের অনেক কষ্ট স্বীকার করে স্কুলে যেতে হচ্ছে। এছাড়া মাঠের জলাবদ্ধতা শুধু এখন নয় বছরের প্রায় ৭ মাস এ মাঠে জলাব্ধতা থাকে। ফলে এখানকার কয়েক’শ শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন ব্যাহত হচ্ছে । ভওয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর জাহানের ভাষ্য মতে১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এ স্কুলটির এ সমস্যা প্রথম থেকেই। শহরের কুরিগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকার পানি এই মাঠ দিয়ে নামে। দীর্ঘ বছরে এ সমস্যা সমাধানে কেউ এগিয়ে আসেনি।
স্কুলের ৫ম শেণির শিক্ষার্থী উমামা নাজ হিৃদিতা,মালিহা তাবা”ছুম ও তানহা জারিন জানান, জলাবদ্ধতার কারণে তাদের ড্রেস ভিজে যায়। জুতা পরে ফুল ড্রেসে আসতে পারি না। অনেক সময় ড্রেনে পড়ে যাই। দেনিক সমাবেশ করতে পানি না, টিফিনের সময় মাঠে খেলাধুলা করতে পারিনা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর জাহান বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলে দক্ষিণ পাশের ভবনটিতে শিক্ষকরা যেতে পারেন না। ফলে সাড়ে ৪ শ শিক্ষার্থীকে নিয়ে একটি ভবনের মধ্যেই ক্লাস নিতে হয়। বিভিন্ন এলাকার ময়লা পানি এই মাঠে মাঠে এসে জমা হওয়ায় পানির দূর্গন্ধে আমরা বসতে পানি না। ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলা করতে পারে না। এখানকার পানি নিষ্কাশনে এবং মাঠ উঁচু করার জন্য এর আগের মেয়রকে অবগত করেছিলাম। বিষয়টি বর্তমান জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানিয়েছি। ড্রেন নির্মাণের জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে নড়াইল পৌরসভার প্রশাসক বরাবর একটি দরখাস্ত প করেছি।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গত ২ মাস আগে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহানকে স্কুলের এই জলাবদ্ধতার কথা জানিয়েছি। তিনি ভওয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এসেছিলেন। তিনি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন।
নড়াইল পৌরসভার নব নিযুক্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিমকে নতুন ড্রেন নির্মাণ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, নতুন ড্রেন নির্মাণে বর্তমানে কোন ফান্ড নেই। তবে ফ্রান্সের অর্থায়নে সেভেন টাউন প্রজেক্টের আওতায় সারা দেশের ৭ টি বড়ো পৌরসভার মধ্যে নড়াইল পৌরসভা রয়েছে। আশা করছি এই মেঘা প্রকল্পের কাজ শুরু হলে এসব ড্রেনেজ ব্যবস্হার মোটামুটি সমাধান হবে।
