“মাইলস্টোন স্কুলের মর্মান্তিক স্ট্র্যাজেডি ফুলগুলো অকালে ঝরে গেল “
হাসিনা মরিয়ম
গত সোমবার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মর্মান্তিক বিমান দূর্ঘটনায় পুরো দেশ তথা বিশ্বকে নাড়া দিয়েছে,এতো মৃত্যু একসাথে একটা স্কুলে ক্লাস চলাকালীন ছোট ছোট কোমলমতি শিশুদের এহেন মৃত্যুতে মানবতা স্তব্ধ নির্বাক হয়ে গেছে, কিভাবে কোন ভাষায় এই নির্মম ঝরে যাওয়া প্রানগুলোর সমবেদনা জানানোর ভাষা জানা নেই কারোর, আমরা যেন কালের সাক্ষী হয়ে অবলোকন করেছি,কি বলবো,কোন ভাষায় সমবেদনা জানাবো এই অকাল প্রয়াত ফুলগুলোর জন্য জানা নেই, শুধু বুকের গভীরে যে ক্ষত থেকে রক্তক্ষরন হচ্ছে তা কখনো বন্ধ হবে না, এই কোমলমতি শিশুগুলো সব আমাদের সন্তান, আমরা আমাদের সন্তানদের এভাবে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছি না, এই মৃত্যুগুলোর জন্য কে দায়ী আমাদের অসচেতনতা নাকি আমাদের নৈতিক অবক্ষয়, এই রকম বিমান দূর্ঘটনা নতুন নয় আগে ও হয়েছে, যদি আমরা তখন সচেতন হতাম তাহলে আজ আমাদের এতোগুলো প্রান ঝরে যেতো না,
বারবার এভাবে মৃত্যু বিমান বাহিনীর ক্ষতি ও কম নয়, কতো পাইলট তার স্বপ্ন পূরণের আগেই ঝরে যায়, তার কতোটুকু খবর আমরা রাখি,তাদের ও পরিবার আছে, তাদের এই ত্যাগ কতটা মনে রেখেছি আমরা তা তো আমরা দেখতেই পারছি, বিমান দূর্ঘটনায় বিমান বাহিনীর ক্ষতি ও তো কম নয় কিন্তু ওরা যদি অতীত থেকে শিক্ষা নিতো তাহলে আজ এতোগুলো প্রাণ ঝরে পড়তো না,আমাদের সন্তানেরা এদের অসচেতনতার শিকার, আর কবে প্রশাসনের টনক নড়বে,আর কবে আমরা সচেতন হবো,আর কতো মৃত্যুর পর আমরা আমাদের ভুল বুঝতে পারবো,কেউ কি কখনও ভেবেছে এদের গাফিলতির কারণে কতো পরিবার তাদের স্বজন হারিয়েছে,উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ট্র্যাজেডি বিমান বাহিনীর অসচেতনার ফসল, সারা পৃথিবী দেখছে আমরা কেমন জাতি, আর কবে আমরা সচেতন হবো,প্রশাসনকে বলবো সুষ্ঠু সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে যাদের গাফিলতির কারণে আমরা আমাদের সন্তানদের হারিয়েছি
তাদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, আর যেন কোনো প্রান অকালে না ঝরে যায়, আমরা শুধু মৃত্যুর মিছিল দেখবো তাদের গাফিলতির কারণে, এটা চলতে দেয়া যায় না, আমরা আর কোনো এমন নিষ্ঠুরতার সাক্ষী হতে চাই না।।
