গভীর সমুদ্রে সূর্যালোক ছাড়াই জীবনের সন্ধান

বিজ্ঞানীরা এমন এক প্রাণীজগত খুঁজে পেয়েছেন, যা সূর্যের আলো ছাড়াই বেঁচে থাকতে পারে

রাশিয়া ও আলাস্কার মাঝের এক গভীর সমুদ্রগহ্বরে বিজ্ঞানীরা এমন এক প্রাণীজগত খুঁজে পেয়েছেন, যা সূর্যের আলো ছাড়াই বেঁচে থাকতে পারে। এই গহ্বরকে বলা হয় হ্যাডাল জোন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এটি প্রায় ৬ কিলোমিটার বা তারও বেশি গভীরে অবস্থিত।

চীনা বিজ্ঞানী মেংরান দু’র নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, সেখানে নতুন প্রজাতির শামুক ও লাল শুঁড়ওয়ালা কৃমি বাস করে। এসব প্রাণী খাদ্য পায় সূর্যের আলো থেকে নয়, বরং সমুদ্রতল থেকে বের হওয়া মিথেন গ্যাস ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ থেকে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় কেমোসিনথেসিস—যেখানে বিশেষ ধরনের ব্যাকটেরিয়া গ্যাস ও রাসায়নিককে খাদ্যে পরিণত করে।

গবেষকদের মতে, এই অঞ্চলের তলদেশে প্রচুর জৈব কার্বন জমা হয়, যা জলবায়ু পরিবর্তন কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। আগে ধারণা ছিল, এত গভীরের প্রাণীরা কেবল ওপর থেকে নেমে আসা খাবারের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু এই আবিষ্কার প্রমাণ করেছে, তারা নিজস্ব উপায়ে খাদ্য তৈরি করতে পারে।

এই গবেষণা গ্লোবাল হ্যাডাল এক্সপ্লোরেশন প্রোগ্রামের অংশ, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা একসঙ্গে গভীর সমুদ্রের রহস্য উন্মোচনে কাজ করছেন। মেংরান দু বলেন, আমরা ভেবেছিলাম এত গভীর সমুদ্রের পরিবেশ জীবনের জন্য প্রতিকূল। কিন্তু এই প্রাণীগুলো সেখানে দারুণভাবে বেঁচে আছে। সূত্র : সিএনএনমোসিনথেসিস—যেখানে বিশেষ ধরনের ব্যাকটেরিয়া গ্যাস ও রাসায়নিককে খাদ্যে পরিণত করে।

গবেষকদের মতে, এই অঞ্চলের তলদেশে প্রচুর জৈব কার্বন জমা হয়, যা জলবায়ু পরিবর্তন কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। আগে ধারণা ছিল, এত গভীরের প্রাণীরা কেবল ওপর থেকে নেমে আসা খাবারের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু এই আবিষ্কার প্রমাণ করেছে, তারা নিজস্ব উপায়ে খাদ্য তৈরি করতে পারে।

এই গবেষণা গ্লোবাল হ্যাডাল এক্সপ্লোরেশন প্রোগ্রামের অংশ, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা একসঙ্গে গভীর সমুদ্রের রহস্য উন্মোচনে কাজ করছেন। মেংরান দু বলেন, আমরা ভেবেছিলাম এত গভীর সমুদ্রের পরিবেশ জীবনের জন্য প্রতিকূল। কিন্তু এই প্রাণীগুলো সেখানে দারুণভাবে বেঁচে আছে। সূত্র : সিএনএন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights