মেসিদের স্তব্ধ করে লিগস কাপ জিতল

অনলাইন ডেস্ক
এইতো কয়েকদিন আগে সৌদি সুপার কাপের ফাইনালে হেরেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এবার একই তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন লিওনেল মেসি। বাংলাদেশ সময় আজ ভোরে অনুষ্ঠিত লিগস কাপের ফাইনালে ইন্টার মায়ামি ৩-০ ব্যবধানের ব্যবধানে হেরে গেছে সিয়াটল সাউন্ডার্সের কাছে।

মেসির জন্য এটি ছিল ৪৭তম শিরোপা জেতার সুযোগ, যা এখন আরও দীর্ঘায়িত হলো। সর্বশেষ ২০২৪ সালে ইন্টার মায়ামির হয়ে সাপোর্টার্স শিল্ড জিতেছিলেন তিনি। লুমেন ফিল্ডে প্রায় ৭০ হাজার দর্শকের সামনে ম্যাচে আক্রমণ ও বল দখলে এগিয়ে থাকলেও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হলো মায়ামি। তারা ৬৮ শতাংশ বল দখল ও ১০টি শট নিয়েও গোল করতে পারেনি। অন্যদিকে মাত্র ৩২ শতাংশ বল দখল থাকা সত্ত্বেও সিয়াটল ১১টি শটের মধ্যে ৭টি লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হয়। ম্যাচের প্রথমার্ধে একটি ও দ্বিতীয়ার্ধে দুটি গোল করে নিশ্চিত করেছে জয়।

এদিন ম্যাচের ২৬ মিনিটে সিয়াটলকে এগিয়ে দেন ওসাজে ডি রোজারিও। ক্রিশ্চিয়ান রোলডানের দুর্দান্ত এক ক্রসে হেড দিয়ে এই গোলটি করেন রোজারিও। পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে চেষ্টা করে মায়ামি। কিন্তু ব্যর্থ হয় তারা। বিশেষ করে ৫০ মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি। সুয়ারেজের দারুণভাবে বাড়িয়ে দেওয়া বলটি অবিশ্বাস্যভাবে পোস্টের ওপর দিয়ে বাইরে পাঠান মেসি।

এদিন নিষ্প্রভ ছিলেন মেসি। ৯০ মিনিট মাঠে থেকে ৫টি শট নিয়েছেন, সবই লক্ষ্যভ্রষ্ট। পুরো সময়ে শুধু একটি সুযোগই তৈরি করতে পেরেছেন। এমনকি ৬ বার ড্রিবলের চেষ্টা করে সফল হয়েছেন মাত্র একবার। মেসির নিষ্প্রভ থাকার দিনটিকে কাজে লাগাতে ভুল করেনি সিয়াটল। ম্যাচের ৮৪ ম্যাচে পেনাল্টি গোলে সিয়াটলের জয় একরকম নিশ্চিত করে ফেলেন রোলডান। বিপজ্জনকভাবে বক্সে ঢুকে পড়া গিওর্গি মিনুংগুকে থামাতে গিয়ে তাঁকে ফাউল করে সিয়াটলকে এই পেনাল্টি উপহার দেন মায়ামির ইয়ান্নিক ব্রাইট।

এই গোলের পর মায়ামির ক্ষত বাড়িয়ে ৮৯ মিনিটে আরও একটি গোল করে সিয়াটল। এ দফায় দারুণ এক শটে লক্ষ্যভেদ করেন পল রথরক। এই গোলেই নিশ্চিত হয় লিগস কাপের ফাইনালে মায়ামির বড় হার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights