‘বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান ও সমাজ পরিবর্তনে শিক্ষার্থী’ শীর্ষক আলোচনা সভা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের ‘বৃত্তি প্রদান ও সমাজ পরিবতনে শিক্ষার্থী’-শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় সিনেট ভবন অডিটোরিয়ামে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ, মহাসচিব মোল্লা মোহাম্মাদ আবু কাওছার ও ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এ. কে. আজাদসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশের বৃত্তি কার্যক্রমে নতুনভাবে যুক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০২০ ও ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের ৫৩০ জন অসচ্ছল শিক্ষার্থীকে ইস্টার্ন ব্যাংকের সহায়তায় এটিএম কার্ড প্রদান করা হয়। শিক্ষার্থীদের হাতে এটিএম কার্ড তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি। এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রতি বছরের ন্যায় শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ এলাকায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং এলাকার যুব সমাজের সাথে ‘সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, মাদক ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং সচেতনা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচারাভিযান পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বিশেষ অতিথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে ইতিমধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যা খুবই প্রশংসনীয়। শিক্ষার্থীদের সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা হলে তাদের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পাবে।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই
অ্যাসোসিয়েশনের গৃহীত কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আমি সংগঠনটির এই সকল কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবো।

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে পড়াশুনার পাশাপাশি আমাদের কিছু সামাজিক দায়বদ্ধতা রয়েছে। সমাজ ও মানুষের কল্যাণে দেশের একজন সুনাগরিক হিসেবে সমাজের প্রতিবন্ধকতাগুলোকে রূখে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবো।

অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব বলেন, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশ একজন শিক্ষার্থীর যাতে অর্থের অভাবে শিক্ষাজীবন ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের অনেক স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গ এক্ষেত্রে সহায়তা করছেন। আমাদের প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি দায়মোচনে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights