চট্টলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল, যাত্রায় বিলম্ব ২ ঘণ্টা

চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি লোকোমোটিভে (ইঞ্জিন) ত্রুটি দেখা দিলে চলন্ত অবস্থায় থেমে যায়। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকে ট্রেনটি। পরে পেছনে ইঞ্জিন লাগিয়ে ট্রেনটি চালানো হয়। মঙ্গলবার সকালে চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকলের এ ঘটনা ঘটে।

ট্রেনটি চলন্ত অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার চিনাইর এলাকায় থেমে যায়। বেলা ১০টা ২২ মিনিটে ট্রেনটি থামার পর পেছনে ইঞ্জিন লাগিয়ে বেলা ১২টা ১৫ মিনিটে চালানো হয়। বেলা ১২টা ৪০ মিনিটে ট্রেনটি পাঘাচং স্টেশনে অবস্থান করছিল।

সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ইঞ্জিন ওভার কারেন্ট হয়ে গেছে। বেশি গরম হয়ে গেলে স্টার্ট বন্ধ করে আবার চালুর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু চালু করা সম্ভব হয়নি।’

ট্রেনের লোকোমাস্টার জানান, ভাতশালা স্টেশন অতিক্রম করার পর ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়। বন্ধ করে চালুর জন্য ৩০ মিনিট সময় নিতে হয়। এভাবে একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছে।

চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি লোকোমোটিভে (ইঞ্জিন) ত্রুটি দেখা দিলে চলন্ত অবস্থায় থেমে যায়। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকে ট্রেনটি। পরে পেছনে ইঞ্জিন লাগিয়ে ট্রেনটি চালানো হয়। মঙ্গলবার সকালে চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকলের এ ঘটনা ঘটে।

ট্রেনটি চলন্ত অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার চিনাইর এলাকায় থেমে যায়। বেলা ১০টা ২২ মিনিটে ট্রেনটি থামার পর পেছনে ইঞ্জিন লাগিয়ে বেলা ১২টা ১৫ মিনিটে চালানো হয়। বেলা ১২টা ৪০ মিনিটে ট্রেনটি পাঘাচং স্টেশনে অবস্থান করছিল।

সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ইঞ্জিন ওভার কারেন্ট হয়ে গেছে। বেশি গরম হয়ে গেলে স্টার্ট বন্ধ করে আবার চালুর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু চালু করা সম্ভব হয়নি।’

ট্রেনের লোকোমাস্টার জানান, ভাতশালা স্টেশন অতিক্রম করার পর ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়। বন্ধ করে চালুর জন্য ৩০ মিনিট সময় নিতে হয়। এভাবে একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights