ফ্যাসিবাদবিরোধীরা কি সতর্ক হবে?

আততায়ীর গুলিতে একজন শরিফ ওসমান হাদির অপমৃত্যুর পর বুঝলেন সতর্ক হওয়া দরকার। জাতিসংঘের ভলকার তুর্ক বা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলার পর উপলব্ধি হলো আপনাদের সেই ঐক্যে ফাটলের সুযোগ নিয়ে অঘটন ঘটানো হচ্ছে? এটা বুঝতে কারো কি বিশেষজ্ঞ হওয়া লাগে? আল্লাহর অলি বা পীর-বুজুর্গ হতে হয়? একটু চোখ-কান খোলা রাখলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আন্দোলনের শরিকরা কি তা অঘটনের ঢের আগেই বুঝতে পারতেন না? সতর্ক থাকলে বিভক্তই হতেন না। নিজেরাই কিভাবে নিজেদের প্রতিপক্ষ হয়ে গণতন্ত্র হত্যাকারীদের সুযোগ করে দিচ্ছেন, তা-ও বুঝতে পারতেন। চাইলে চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারিতে রাওয়া ক্লাবের হেলমেট হলে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের লাউড সতর্কতার কথাও লাউড সতর্কতার কথাও একটু মনে করতে পারতেন।

ওই বক্তৃতায় তিনি বলেছিলেন, ‘নিজেরা কাদা ছোড়াছুড়ি, মারামারি ও কাটাকাটি করলে দেশ ও জাতির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে। পরে কিন্তু আমাকে বলা যাবে না যে আমি সতর্ক করিনি।’
ওই বক্তৃতায় তিনি দেশ ও জাতির স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানিয়েছিলেন। সাহস দিয়ে বলেছিলেন তাঁর একটাই আকাঙ্ক্ষা, দেশ ও জাতিকে একটি সুন্দর জায়গায় রেখে সেনানিবাসে ফেরা।

এর পরের ঘটনাপ্রবাহ আজ অকুতোভয় জুলাই যোদ্ধা ওসমান হাদির ঘটনায় পর্যন্ত এসে ঠেকেছে। তারাও নানা ভাগে বিভক্ত। ওই ভাগের একটি ওসমান হাদির ইনকিলাব মঞ্চ। আততায়ীর গুলিতে হাদির মৃত্যুর ঘটনায় জুলাই যোদ্ধাদের বড় সংগঠন এনসিপির শুক্রবারের শাহবাগের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত এবং এর পরিবর্তে বাংলামোটর থেকে বিক্ষোভের ঘটনা বড়ই প্রাসঙ্গিক।

সেই সঙ্গে শিক্ষণীয়। এমন সিদ্ধান্তের পেছনে এনসিপি নেতা নাহিদ ও সারজিসের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া পোস্টের বক্তব্য বেশ ঝরঝরে। জুমার নামাজের পর যেকোনো কর্মসূচিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের বার্তা দিয়ে সেখানে বলা হয়েছে, ‘বৃহস্পতিবারের মতো শুক্রবারও ভাঙচুর ও নাশকতা করার পরিকল্পনা রয়েছে জুলাইবিরোধী শক্তিগুলোর। আমরা যেকোনো প্রকার ভায়োলেন্স ও নাশকতার বিরুদ্ধে। জনগণের ক্ষোভকে ব্যবহার করে কেউ যেন কোথাও ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ অথবা কোনো নাশকতামূলক কার্যক্রম করতে না পারে, সে ব্যাপারে ভূমিকা পালন করুন।’

বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের অংশীজনরা হাদিকে হারিয়ে মাঠের নিদারুণ বাস্তবতায় মোটামুটি একটা অভিন্ন অবস্থানে এসেছেন। অনুভব করছেন ঐক্য রক্ষার তাগিদ। নাহিদ-সারজিসের অনুভূতিতে এনসিপি জানিয়েছে সতর্ক থাকা কত দরকার। লন্ডন সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ছুটে এসেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বিমানবন্দর থেকেই ছুটে গেছেন হাদির পরিবারের কাছে। দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্য রক্ষার কথা বলেছেন। বিএনপি থেকে উদ্বেগ জানানো হয়েছে হাদির মৃত্যু, খুলনা ও চট্টগ্রামে ভারতের হাইকমিশনের কার্যালয় ও বাসভবনে হামলা, ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে অগ্নিসংযোগ, উত্তরা ও রাজশাহীতে সহিংসতা, ময়মনসিংহে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক হিন্দু যুবককে হত্যার ঘটনার কথা উল্লেখ করে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এসব নৃশংস ঘটনা প্রমাণ করে একটি চিহ্নিত মহল দেশকে পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল করতে চাইছে। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক সবার প্রতি শান্ত থাকা ও সহিংসতা থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়েছেন। উপরোক্ত এসব আহবান, পরামর্শ, সতর্কতার কাজ সেনাপ্রধান সারিয়ে রেখেছেন সেই ২৪ ফেব্রুয়ারিতেই।

এখানে ভাবনা, উপলব্ধির আরো কিছু বিষয় রয়েছে। জেন-জিদের জুলাইকে ‘ঝুলাই’ বলে খোঁচানোর লোকের অভাব ছিল না। কারো কাছে চব্বিশের বাতি পঁচিশে নিভিয়ে দেওয়ার ছকও ছিল। এর মধ্যেই ঢাকায় গুলিবিদ্ধ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিঙ্গাপুরে মৃত্যু। একই দিনে কিছু সময়ের তফাতে রাজধানীর জিগাতলায় এনসিপির আলোচিত নেত্রী জান্নাত আরা রুমির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, এ দুই ঘটনার আগে রয়েছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এনসিপির কয়েক নেতার বেদম মার খাওয়ার ঘটনা। হাদির মৃত্যুতে শোক জানিয়ে জাতির উদ্দেশে তাৎক্ষণিক ভাষণে সবাইকে ধৈর্য ধরতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আহবান জানিয়েছেন কাউকে হঠকারী কাজে না জড়াতে। কিন্তু এ আহ্বানের প্রতিফলন ঘটেনি। বৃহস্পতিবার রাতে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে তাঁর মৃত্যুর খবর জানানোর পর ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা দেশ। ঘটানো হয় নানা অঘটন। হাদি মাস কয়েক ধরে নানা আশঙ্কার কথা বলে আসছিলেন। জুলাইয়ের ফ্রন্টলাইনাররা একটা সময় একলা হয়ে যাবেন, তাঁদের বাঁচতে দেওয়া হবে না—এ ধরনের কথাও বলেছিলেন। এও বলেছিলেন, তাঁর কিছু হলে নিজের সন্তানকে যেন দেখে রাখা হয়। ওসমান হাদি বরাবরই ব্যতিক্রম স্বভাব-বৈশিষ্ট্যের। অন্যায়ের বিরুদ্ধে ভীষণ সোচ্চার। অল্প সময়ে তাঁর কণ্ঠ হয়ে ওঠে প্রতিবাদী ভাষা। শুধু ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে নয়, বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি কাউকে ছাড়েননি এই খ্যাপাটে যুবক। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাইরাল হাদির গণ-অভ্যুত্থানে ছিল অসামান্য অবদান। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গঠন করেন ইনকিলাব মঞ্চ। তিনি কখনো ছাত্রদল, শিবির বা অন্য কোনো সংগঠন করেননি। জুলাই আন্দোলনের ফ্রন্টফিগার হয়েও এনসিপিতে যাননি। বিপ্লবী চেতনায় ছোট থেকে শুরু করেছিলেন। ঝালকাঠির এক গরিব ঘরের সন্তান হাদি ছোটবেলা থেকে ধর্মীয় শিক্ষায় অনুরাগী ও ভদ্র প্রকৃতির। দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো, বিশেষ করে পুরনো ধারার রাজনীতির কঠোর সমালোচক ছিলেন তিনি। ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়ে বাড়তি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তফসিল ঘোষণার পরদিনই ১২ ডিসেম্বর দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হওয়ার পর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জীবনশিখা নিভে যাওয়ার মধ্য দিয়ে হাদি অধ্যায়ের যবনিকা।

প্রায় একই স্কেলে নেপাল-শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশে দুঃশাসকের পতনসহ রাজনৈতিক পটপরিবর্তন। ঘটনাপ্রবাহ কাছাকাছি। কিন্তু শাসনতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় নেপাল-লঙ্কার সঙ্গে ব্যাপক তফাত বাংলাদেশের। দেশ দুটিতে বাংলাদেশের মতো সংস্কার, ঐকমত্য, মব-গুজব, আন্দোলনকারী ফ্রন্টফিগারদের নানা ক্রিয়াকর্মের ক্যারিকেচার পর্ব নেই। আগে সংস্কার না নির্বাচন বিতর্ক বাধেনি। জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় বা ছাত্রসংসদ নির্বাচনের বাহাসও জমেনি। সংস্কারের নামে প্রশাসনে রদবদলের হিড়িক, মিল-কলকারখানায় হামলে পড়ার সিরিজও দেখতে হয়নি। লাইফ সাপোর্টে চলে যায়নি তাদের অর্থনীতি। নেপালের এক প্রধানমন্ত্রী পালিয়ে, নতুন সরকারও চলে এসেছে। জাতীয় নির্বাচনের তারিখও দিয়েছে। বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি টলটলে। শ্রীলঙ্কায় বিপ্লবের কয়েক দিনের মধ্যে সেখান থেকে দুর্নীতি অনেকটা ‘নাই’ হয়ে গেছে। দেশটিতে মিছিল-মিটিংসহ উত্তেজনা চলতে থাকলেও কোনো মিল-ফ্যাক্টরিতে হামলা, কোনো দোকানপাট দখলের তথ্য নেই। নেপালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হয়ে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি দায়িত্ব নেওয়ার দিনই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী বছর ৫ মার্চ দেশটিতে হবে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন। জেন-জি প্রজন্মের তরুণদের ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি পদত্যাগের পর দেশটিতে রাজনৈতিক সংকট সাংবিধানিক সংকটকে বেশিক্ষণ পোক্ত করতে পারেনি। সংকট সমাধানে বিক্ষোভকারী তরুণদের প্রতিনিধিরা দফায় দফায় বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট পৌদেল ও সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেলের সঙ্গে। দ্রুত ফয়সালাও বের করে ফেলেন। ছয় মাসের মধ্যেই নির্বাচন নিশ্চিত করা, সংবিধান সমুন্নত রাখতে এবং জাতীয় ঐক্য এগিয়ে নিতে শর্ট কোর্স পন্থা নেন তাঁরা। অন্য কোনো বিষয় সামনে এনে জটিলতা পাকাননি। গুণগতভাবে তা বাংলাদেশের একদম বিপরীত। নেপালের ‘জেন-জি’ তরুণরা নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথের দিনই জাতীয় নির্বাচনের তারিখ আদায় করে বিচক্ষণতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। বাংলাদেশের ‘জেন-জি’ তরুণরা এই প্রশ্নে বিপরীত। রাজনৈতিক দলগুলোও বিভক্ত। নেপালের পর এবং বাংলাদেশের ঘটনার আগে শ্রীলঙ্কার ঘুরে দাঁড়ানোর ঘটনাও শিক্ষণীয় হতে পারত। প্রায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে দাঁড়িয়ে নেপালের স্বাভাবিকতায় ফেরা, শ্রীলঙ্কার ঘুরে দাঁড়ানোর নেপথ্য কারণ ও নীতিগুলো বাংলাদেশের জন্য শিক্ষার বিষয় হলেও আদতে তা হয়নি।

বাংলাদেশে শুধু নির্বাচন ঘিরে নয়, সরকারকাঠামো নিয়েই বড় রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব। বৈষয়িক লাভালাভ নিয়ে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির ঘেরাটোপ ব্যাপক। আন্দোলনের ফ্রন্টলাইনাররা অনিরাপদ। টার্গেটে পড়ে গেছেন তাঁরা। তার ওপর অভ্যুত্থানের এক বছরের মাথায় এসে বিভাজন ও বিভক্তি। এ পরিস্থিতির সঙ্গে তিউনিশিয়ার বেশ মিল। তিউনিশিয়ার জেসমিন বিপ্লবের সময় ২০১০-১১ সালে ২৮ দিনের আন্দোলনে দেশটির স্বৈরশাসক বেন আলি ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনার মতোই। সেখানে ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে দিয়েছিলেন বোয়াজিজি নামের এক তরুণ রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে আত্মহননের মধ্য দিয়ে। তিউনিশিয়ায়ও অন্য কারো বেন আলি হওয়া ঠেকাতে ২০১৪ সালে সংবিধান সংস্কার করে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগি করা হয়। কিন্তু আদতে তিউনিশিয়ায় একটি দুর্বল সরকারব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। যাদের জনসমর্থন ছিল না, সরকার গঠনের মতো তাদেরও ক্ষমতার ভাগীদার করা হয় ভারসাম্য আনার কথা বলে। ফলে ২০১১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে ১০ বার সরকার পরিবর্তিত হয়েছে। মানে গড়ে প্রতিবছর একবার করে নতুন সরকার। ঘন ঘন সরকার পরিবর্তনে তিউনিশিয়ায় ব্যবসা-বিনিয়োগে ধস নামে। অর্থনৈতিক মন্দার সঙ্গে বেকারত্বও বাড়তে থাকে। এতে জন-অসন্তোষও বাড়তে থাকে। এ সুযোগ নিয়ে ২০১৯ সালে কাইস সায়িদ নামের এক অধ্যাপক ক্ষমতা দখল করেন। তিউনিশিয়ার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন। টিভির টক শোগুলোর জনপ্রিয় মুখ ছিলেন।

পরবর্তী সময়ে তিউনিশিয়ার অভিজাতদের সমর্থন নিয়ে তিনি ক্ষমতা দখল করেন। ২০২১ সালে সংবিধান স্থগিত করে নতুন সংবিধান রচনা করে আবারও দেশে একনায়কতন্ত্র কায়েম করেন। তিউনিশিয়া আবার সেই বেন আলির যুগে ফিরে যায়। আর ধাপে ধাপে মৃত্যু, কারাবাস, দেশান্তরি হয়ে জীবন বাঁচানো হয়ে ওঠে সেই জেসমিন বিপ্লবের সম্মুখভাগের তরুণ-যুবকদের বিধিলিপি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী তিউনিশিয়ায় প্রথম নির্বাচন হয় ২০১১ সালে। নির্বাচনের পরে বেশ অস্থিতিশীল একটা সরকারের সময়, কয়েক মাসের ব্যবধানে চকরি বেলাইদ ও মোহামেদ ব্রাহিমি ‘মোটরসাইকেলে চড়ে আসা’ আততায়ীর গুলিতে গুপ্তহত্যার শিকার হন। বাংলাদেশে টার্গেট শরিফ ওসমান হাদি হবেন কি না, সেটা নিশ্চিতভাবে বলা না গেলেও এ ধরনের ঘটনা যে ঘটবে, তা আঁচ করা যাচ্ছিল। তার পরও ঘটনার পর তাৎক্ষণিকতায় যে সাবধানতার দৃষ্টান্ত শুক্রবার এনসিপি দেখিয়েছে তা বলবৎ থাকলে সামনে ভিন্ন কিছুর আশা করাও যেতে পারে। বাকিটা অপেক্ষার বিষয়।

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট, ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights