শীতের শুভ্রতায় গোলাপি শাপলা

নজরুল মৃধা, রংপুর

উত্তরাঞ্চলসহ দেশজুড়ে বইছে শীতের হিমেল হাওয়া। খুব জরুরি প্রয়োজন না হলে ঘর থেকে কেউ বের হচ্ছেন না। রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দে নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্মভিটা সংলগ্ন জায়গায় রোকেয়া মেলার পর কাঠমেলা চলছে। দেখতে দেখতে কাঠমেলাও প্রায় শেষের পথে। সকাল থেকে আগ্রহী অনেক ক্রেতা আসছেন। অনেক দর্শনার্থীরা রোকেয়ার জন্মভিটার পাশাপাশি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এবং বাংলা একাডেমি পরিচালিত বেগম রোকেয়া স্মৃতি কেন্দ্রও ঘুরে দেখছেন। সেখানকার নান্দনিক পুকুরে এই শীতের শুভ্রতায় মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে গোলাপি শাপলা। দিনের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে পুকুরজুড়ে গোলাপি শাপলা ফুটছে এবং দর্শনার্থীরা বিমুগ্ধ নয়নে অবলোকন করছেন। ফুলটি নিয়ে বাংলা একাডেমির সহপরিচালক এবং এই স্মৃতি কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবিদ করিম মুন্না জানান, নিমফিয়া ফ্যাবিওলা প্রজাতির শাপলা গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। জলজ এই উদ্ভিদটির পাতাগুলো গোলাকার থেকে ডিম্বাকার এবং পাতার ডাঁটা পানির নিচে মাটির সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। অনেক উপকারিতা আছে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া, আমাশয় এবং পেট ফাঁপায় এই ফুলের। তিনি আরও জানান, নীলফামারীর ঐতিহ্যবাহী নীলসাগর থেকে বেগুনি শাপলা নিয়ে আসা হয়েছে সেটিও ফোটা শুরু করেছে। কিন্তু অনেকেই মনে করেন সেটি নীলপদ্ম। এই পুকুরে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল সাদা শাপলাও রয়েছে। কখনো কখনো তিন রঙের শাপলাতেই ভরে ওঠে পুকুরটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights