আইসিসিবিতে শুরু হচ্ছে গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ মেলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আগামী বুধবার শুরু হচ্ছে ‘গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং এক্সপো (গ্যাপেক্সপো)-২০২৬’। মেলায় ৩৫০টি প্রতিষ্ঠান ও ১ হাজার ৫০০টি স্টল অংশ নিচ্ছে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারত, জাপান, ভিয়েতনাম, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানিসহ ১৮টির বেশি দেশ। গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ ও প্যাকেজিং খাতের আন্তর্জাতিক পরিচিতি, ক্রেতা অনুসন্ধান এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজের সঙ্গে শিল্পোদ্যোক্তাদের সংযোগ ঘটাতে এ আয়োজন। মেলার আয়োজন করছে এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন প্রা. এবং বিজিএপিএমইএ। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ)। সংবাদ সম্মেলনে বিজিএপিএমইএ সভাপতি মো. শাহরিয়ার বলেন, আগামী ১৪ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত হচ্ছে গ্যাপেক্সপো-২০২৬-এর ১৫তম আয়োজন। একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে ‘গার্মেন্ট টেকনোলজি বাংলাদেশ-২০২৬’।
তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে প্যাকেজিং পণ্যের বিশাল চাহিদা থাকা সত্ত্বেও আমরা সে বাজারে যথাযথ অংশ নিতে পারছি না। মূল কারণ হলো সরাসরি রপ্তানিতে কোনো প্রণোদনা না থাকা এবং নীতিগত সহায়তার অভাব। বাংলাদেশ থেকে সরাসরি প্যাকেজিং পণ্য রপ্তানি করলে কোনো রপ্তানি প্রণোদনা পাওয়া যায় না। অথচ চীন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো এ খাতে ৪ থেকে ১৭ শতাংশ পর্যন্ত রপ্তানি প্রণোদনা দিয়ে থাকে। আমাদের সেক্টর কখনোই কোনো সময় রপ্তানি প্রণোদনার আওতায় আসেনি, যা বড় একটি প্রতিবন্ধকতা। নীতিগত বাধার কথা তুলে ধরে বিজিএপিএমইএ সভাপতি আরও বলেন, ৩০০ জিএসএমের নিচের কাগজ আমদানিতে উচ্চ শুল্ক ও কর দিতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে ৫৮ থেকে ৮৩ শতাংশ পর্যন্ত কর আরোপ করা হয়, যা আমাদের উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দেয়। এটি এনবিআর-সংক্রান্ত একটি বড় নীতিগত সমস্যা। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এনবিআর ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে রপ্তানি প্রণোদনা, কাঁচামাল আমদানিতে কর ছাড় এবং নীতিগত সহায়তার বিষয়ে লিখিত প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। সরকার এ খাতকে সম্ভাবনাময় হিসেবে চিহ্নিত করেছে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।
