বিকালে অনুষ্ঠিত হবে চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বের ড্র
অনলাইন ডেস্ক
প্রতিটি দলের আট রাউন্ড করে লড়াইয়ের পর শেষ হয়েছে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লিগপর্ব। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ৩৬ দলের লিগ পর্বের রোমাঞ্চ শেষে এবার শুরু হচ্ছে নকআউট পর্বের মহড়া। প্রথম পর্ব থেকে ১২ দল বিদায় নিলেও টিকে আছে ২৪টি দল।
তালিকার শীর্ষ আট দল সরাসরি শেষ ষোলো নিশ্চিত করলেও নবম থেকে ২৪তম স্থানে থাকা ১৬টি দলকে দিতে হবে প্লে-অফ পরীক্ষা। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকালে সুইজারল্যান্ডের নিওনের ‘হাউজ অব ইউরোপিয়ান ফুটবলে’ অনুষ্ঠিত হবে সেই কাঙ্ক্ষিত নকআউট প্লে-অফের ড্র।
এবারের ড্র প্রক্রিয়াটি কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে। ১৬টি দলকে লিগ পর্বের অবস্থানের ভিত্তিতে বাছাই ও অবাছাই—এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। নবম থেকে ১৬তম স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ, ইন্টার মিলান, পিএসজি, নিউক্যাসল, জুভেন্টাস, অ্যাথলেতিকো মাদ্রিদ, আতালান্তা ও লেভারকুসেন রয়েছে বাছাই তালিকায়।
অন্যদিকে ১৭তম থেকে ২৪তম অবস্থানে থাকা বরুসিয়া ডর্টমুন্ড, অলিম্পিয়াকোস, ক্লাব ব্রুগা, গালাতাসারাই, মোনাকো, কারাবাগ, বোডো/গ্লিমট ও বেনফিকা রয়েছে অবাছাই তালিকায়। নিয়ম অনুযায়ী, বাছাই দলগুলো অবাছাই দলগুলোর মুখোমুখি হবে এবং দ্বিতীয় লেগের ম্যাচগুলো নিজেদের মাঠে খেলার সুযোগ পাবে।
লিগ পর্বের অবস্থানের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট জোড়ায় খেলা নির্ধারিত হবে। যেমন নবম ও দশম স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ বা ইন্টার মিলান খেলবে ২৩ অথবা ২৪ নম্বরে থাকা বোডো/গ্লিমট বা বেনফিকার বিপক্ষে। একইভাবে ১১ ও ১২ নম্বর দল পাবে ২১ বা ২২ নম্বর দলকে। এই পর্বে একই দেশের দুই দল বা লিগ পর্বে মোকাবিলা করা দলগুলোর পুনরায় মুখোমুখি হতে কোনো বাধা নেই। প্লে-অফ পর্বের প্রথম লেগ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি এবং দ্বিতীয় লেগ হবে ২৪ ও ২৫ ফেব্রুয়ারি।
এই ড্রয়ের মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়ে যাবে শেষ ষোলোর সম্ভাব্য লাইনআপও। যেমন জুভেন্টাস বা আতলেতিকো মাদ্রিদ যদি তাদের প্লে-অফ বাধা টপকাতে পারে, তবে শেষ ষোলোতে তাদের প্রতিপক্ষ হতে পারে লিভারপুল অথবা টটেনহাম। অন্যদিকে আর্সেনাল বা বায়ার্ন মিউনিখের মুখোমুখি হতে পারে আতালান্তা, লেভারকুসেন বা ডর্টমুন্ডের মধ্য থেকে কেউ। প্লে-অফ জয়ী আট দল শেষ ষোলোতে সরাসরি জায়গা করে নেয়া শীর্ষ আট দলের মুখোমুখি হয়ে টুর্নামেন্টের মূল নকআউট পর্ব শুরু করবে।
