ভোটব্যাংকে নজর, ছন্নছাড়া জামায়াত জোট

রুকনুজ্জামান অঞ্জন ও জাকারিয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জ থেকে

হবিগঞ্জ পাড়ি দিয়ে ঢাকা থেকে সিলেটে ঢুকতে হয়। সে কারণে হবিগঞ্জকে পুণ্যভূমি সিলেটের প্রবেশদ্বার বলা হয়। এ জেলার ৯টি উপজেলা নিয়ে গঠিত চারটি আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ২৫ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে শুধু একটি আসনে জামায়াতের নিজস্ব প্রার্থী রয়েছে। বাকি তিনটি আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জোটের শরিক দলগুলোকে। পক্ষান্তরে জেলার চারটি আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি, যাদের রয়েছে ব্যাপক পরিচিতি। কারও কারও রয়েছে নিজস্ব ভোটব্যাংক। এই ভোটব্যাংক নির্বাচনে বিজয়ের ক্ষেত্রে বড় প্রভাব রাখবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। হবিগঞ্জ জেলার ইউটিউবভিত্তিক চ্যানেল ফাইভের পরিচালক প্রদীপ দাস সাগর বলেন, নির্বাচনি ফ্যাক্টর হিসেবে এলাকার চা শ্রমিক আর হিন্দু ভোটও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। হবিগঞ্জ চার আসনের মধ্যে অন্তত দুটি আসনে নির্বাচনি ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে ভোটব্যাংক ইস্যু। হবিগঞ্জ-০২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনে ৭০ থেকে ৮০ হাজার হিন্দু ভোট রয়েছে। নির্বাচনে জয়ের ক্ষেত্রে এটি বড় ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়া হবিগঞ্জ-০৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে চা বাগান আছে ২৩টি, যেখানে কর্মরত চা শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার। এ ভোটারদের মন জয় করতে পারবে যে, নির্বাচনে তারই বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

নির্বাচনি প্রতীকও হবিগঞ্জে ভোটের ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। তারা বলছেন, ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীক হিসেবে সাধারণ ভোটারদের কাছে যতটা আবেগ ও অনুভূতির জায়গা দখল করেছে রিকশা বা দেয়াল ঘড়ি ততটা আলোড়ন তুলতে পারেনি সাধারণ মানুষের মনে। ফলে প্রার্থী হিসেবে যোগ্য হলেও প্রতীকের কারণে জেলার অন্তত তিনটি আসনে এগিয়ে রয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থীরা। এক্ষেত্রে প্রতীক ছাড়া যেন কিছুটা ছন্নছাড়া মনে হচ্ছে জামায়াত জোটের প্রার্থীদের। এ ছাড়া জেলায় জামায়াত কেন্দ্রীয় নেতাদের আনাগোনাও কম। তিনটি আসন ছেড়ে দেওয়ায় জামায়াতের নিজস্ব ভোটাররাও কিছুটা হতাশ। হবিগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শামসুল হুদা বলেন, প্রার্থী, প্রতীক ও জনপ্রিয়তা সামগ্রিক বিচারে জেলার চারটি আসনের মধ্যে অন্তত তিনটি আসনে বিএনপি প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। একটিতে হতে পারে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।

এক নজরে হবিগঞ্জ : জেলার চারটি আসনে মোট ভোটার ১৮ লাখ ৩৩ হাজার ৬৯২ জন। এর মধ্যে ৯ লাখ ২৮ হাজার ৬৯৬ জন পুরুষ, ৯ লাখ ৫ হাজার ২৪২ জন নারী এবং ২৪ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন। চারটি আসনে মোট প্রার্থী ২৫ জন। এর মধ্যে বিএনপির চার প্রার্থী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন প্রার্থী, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট প্রার্থী তিনজন, জাতীয় পার্টির (জাপা) দুজন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) তিনজন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের দুজন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের একজন, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের একজন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের একজন, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের দুজন বাকিরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

রেজা কিবরিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন শেখ সুজাত : হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন। তার সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়ছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া। এ ছাড়া এ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে রিকশা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম। এর বাইরে চেয়ার প্রতীকে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ বদরুর রেজা এবং মোটরগাড়ি প্রতীকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের প্রার্থী কাজী তোফায়েল আহমেদ নির্বাচন করছেন। তবে ভোটের লড়াই চলছে মূলত বিনপি মনোনীত প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়ার মধ্যে। এলাকাবাসী বলছেন, শেখ সুজাত বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য। দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হলেও তাঁর রয়েছে নিজস্ব ভোটব্যাংক ও এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে রাজনীতি করায় বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে রয়েছে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। পক্ষান্তরে রেজা কিবরিয়া বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সেভাবে যোগাযোগ গড়ে ওঠেনি। তবে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ধানের শীষের প্রতীকে দলীয় নেতা-কর্মীদের ততটাই ঐক্যবদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ফলে আসনটিতে রেজা ও সুজাতের জমজমাট এক লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এ বিষয়ে ড. রেজা কিবরিয়া বলেন- দল আমাকে ধানের শীষ প্রতীক দিয়েছে। এর আগেও আমি ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করেছিলাম। তখনকার কী পরিস্থিতি ছিল সবাই জানে। তবে এখন সময় বদলে গেছে। নবীগঞ্জ-বাহুবল আসনের বিএনপির সব নেতা-কর্মী আমার সঙ্গে আছেন। অবশ্য বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়ার দাবি গুটি কয়েক নেতা ছাড়া দলের সব কর্মী-সমর্থক তাঁর সঙ্গে রয়েছেন। তিনি বলেন, আমি সাধারণ জনগণের ভালোবাসা থেকে প্রার্থী হয়েছি। তৃণমূলে আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। তারাই আমাকে প্রার্থী করেছেন।

হবিগঞ্জ-০২ আসনে সাখাওয়াত বনাম বড় হুজুর : এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান। আসনটিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে অংশ নিচ্ছেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আবদুল বাছিত আজাদ। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবদুল মোক্তাদির চৌধুরী (লাঙ্গল), স্বতস্ত্র প্রার্থী সাংবাদিক আফছার আহমেদ (ফুটবল) এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী লুকমান আহমদ তালুকদার (মই) নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চিকিৎসক হিসেবে বিএনপি প্রার্থী ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসানের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এ ছাড়া মানুষজন তাকে সময়ে-অসময়ে কাছে পেয়েছেন। ফলে তার জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পিছিয়ে নেই জামায়াত জোটের প্রার্থী আবদুল বাছিত আজাদও। এলাকায় তার পরিচয় ‘বড় হুজুর’ নামে। এ ছাড়া তার নিজস্ব ভোটব্যাংকও রয়েছে। ফলে আসনটিতে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে পারে বিএনপি। হবিগঞ্জ-৩ (সদর, শায়েস্তাগঞ্জ ও লাখাই)- অভিজ্ঞ গউছের মুখোমুখি নবীন মহসিন : জেলার গুরুত্বপূর্ণ এ আসনটিতে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন। তার সঙ্গে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতের নবীন প্রার্থী ও জেলা জামায়াত সেক্রেটারি কাজী মহসিন আহমেদ। এ ছাড়া এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মহিব উদ্দিন আহমেদ সোহেল (হাত পাখা), জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী আবদুল মুমিন চৌধুরী (লাঙ্গল), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী শাহিনুর রহমান (ছড়ি), বাংলাদেশ ইসলামি ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মূলত অভিজ্ঞ গউছের সঙ্গে জামায়াতের নবীন প্রার্থী মহসিনের। বিএনপি প্রার্থী জি কে গউছ হবিগঞ্জ পৌরসভার তিনবারের নির্বাচিত মেয়র। এলাকার সব শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে রয়েছে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। কেন্দ্রের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়েও তার ব্যাপক পরিচিতি ভোটের মাঠে তাকে এগিয়ে রেখেছে। অপরদিকে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে কাজী মহসীন আহমেদ এবারই প্রথম সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। ফলে এ আসনটিতে প্রবীণের সঙ্গে নবীনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে এলাকাবাসী জানাচ্ছেন। জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি প্রার্থী জি কে গউছ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, গত ১৭ বছর ধরে ভোটাররা অপেক্ষা করছে বিএনপিকে ভোট দেওয়ার জন্য। এলাকাবাসী সুখেদুখে সব সময় আমাকে পাশে পেয়েছে। আমিও তাদের সঙ্গে থেকেছি। ইনশাল্লাহ ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক বিজয়ী হবে। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি কাজী মহসিন আহমেদ জানান, তিনি তার আসনে জয়ের বিষয়ে আশাবাদী। তার দাবি এতদিন মানুষের কাছে গেলে তারা বলতেন, আচ্ছা ভোট আসুক দেখি…। এবার মানুষের কাছে গিয়ে দোয়া চাওয়ার পর তারাই বলছেন, শুধু দোয়া নয় ভোটও দেবেন। হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে ফয়সালের প্রতিদ্বন্দ্বী গিয়াসউদ্দিন তাহেরী : এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ ফয়সল ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন। তার সঙ্গে মোমবাতি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন। মূলত এ দুই প্রার্থীর মধ্যেই লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট প্রার্থী হিসেবে দেওয়াল ঘড়ি নিয়ে লড়ছেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ আবদুল কাদের। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীকে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী (বিদ্রোহী), হারিকেন প্রতীকে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী শাহ মো. আল আমিন, মই প্রতীকে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী মুজিবুর রহমান, ছড়ি প্রতীকে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম খোকন, আপেল প্রতীকে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী রেজাউল মোস্তাফা এবং ফুটবল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ আহমদ সাজন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এলাকাবাসী বলছেন, এ আসনটিতে জামায়াত জোটের প্রার্থী থাকলেও নির্বাচনি মাঠে তার নিজস্ব ভোটব্যাংক নেই। পক্ষান্তরে গিয়াস উদ্দিন আত তাহেরী ইসলামী বক্তা হিসেবে সুপরিচিত। এটি তার নিজস্ব এলাকা না হলেও অনলাইনে জনপ্রিয়তার কারণে তিনি সুপরিচিত। সে হিসেবে বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ ফয়সালের সঙ্গে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে মূলত ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিনের। এলাকায় সৈয়দ ফয়সালের নিজস্ব ভোটব্যাংক রয়েছে। বেশ কয়েকটি শিল্প-কারখানার মালিক তিনি। এসব শিল্প-কারখানায় ২০ থেকে ২৫ হাজার শ্রমিক কাজ করেন, যেসব ভোট তিনি পাবেন। এ ছাড়া এ আসনটিতে ২৩টি চা বাগান রয়েছে। এসব চা শ্রমিকদের ভোট টানতে পারলে নির্বাচনে তারই বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন। হাওড়-পাহাড়-বন- এ তিন প্রাকৃতিক ঐতিহ্যকে একসঙ্গে বুকে ধারণ করে গড়ে ওঠা হবিগঞ্জ স্বাধীনতার পর থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নেতৃত্বের দখলে ছিল। গত ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও সমর্থক-ভোটাররা রয়ে গেছেন। এই আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভোটও একটি বড় ফ্যাক্টর। হবিগঞ্জ শহরের হোটেল ব্যবসায়ী মাসুদ আলম বলেন, এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কোনো নেতা-কর্মী মাঠে নেই। দলটির সমর্থক ভোটাররাও নীরব রয়েছেন। যদি তারা ভোট কেন্দ্রে যান এবং ভোট দেন সে ক্ষেত্রে যাকে ভোট দেবেন ভোট বিজয়ের পাল্লা তার দিকেই ঝুঁকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights