জ্বালানি স্থাপনায় হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে
অনলাইন ডেস্ক
জ্বালানি স্থাপনায় হামলার মধ্য ইরান যুদ্ধ এখন নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলার মধ্য দিয়ে এই পর্ব শুরু হয়েছে। যুদ্ধে এখন শুধু সামরিক লক্ষ্য নয়, বরং অর্থনীতির মূল ভিত্তিকেই টার্গেট করা হচ্ছে।
ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে। এতে সংঘাত শুধু একটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।
বিশ্লেষক হামিদরেজা আজিজি বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত কৌশল। এর মাধ্যমে জ্বালানি খাতকে কেন্দ্র করে সংঘাতকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
তার মতে, ইরান এখন আগের মতো সীমিত প্রতিক্রিয়ায় থাকছে না। বরং প্রতিপক্ষের নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে আরও বেশি চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে।
এদিকে এই পরিস্থিতি বিশ্ব অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রধান এনগোজি ওকোনজো-ইওয়ালা সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি তৈরি করছে।
তিনি বলেন, জ্বালানির দাম বাড়া এবং পরিবহন বিঘ্নিত হওয়ায় সার উৎপাদন কমে যেতে পারে। এতে খাদ্য উৎপাদনেও প্রভাব পড়বে।
বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নাইট্রোজেন সার সরবরাহ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়। এই পথ বাধাগ্রস্ত হলে কৃষিতে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা জরুরি। না হলে এর প্রভাব বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে।
