হেবা, দখল ও ন্যায়িবচার: একটি পিরবােরর গল্প, একটি দেেশর বাস্তবতা
বাংলােদেশ জিম িনয়ে িবরোধ নতুন নয়। িকন্তু িকছু গল্প আেছ, যেগুলো কেবল জিমর নয়—
সেগুলো িবশ্বাস, ত্যাগ এবং সম্পর্কভেেঙ যাওয়ার গল্প।
এটি তেমনই একটি গল্প।
১৯৯০-এর দশেকর শেষিদেক িম. হািরসুল আলম িনেজর প্রেচষ্টায় একটি গুদামঘর িনর্মাণ
কেরন এবং একটি চলমান ব্যবসা প্রিতষ্ঠা কেরন—“হািফজা কিরম এন্টারপ্রাইজ”—তার
মায়ের নামানুসাের। এই ব্যবসা থেেকই পিরবােরর ভরণপোষণ, ভাইবোনেদর পড়াশোনা এবং
দুই বোেনর িবয়ের সম্পূর্ণ ব্যয় িনর্বাহ করা হয়।
পিরবােরর বড় সন্তান িহেসেব দায়িত্ব তােক ঢাকায় িনয়ে যায়। সেখােন িতিন বোনেদর
দেখাশোনা, তােদর িশক্ষার ব্যয় এবং পািরবািরক দায়িত্ব পালন করেত থােকন। এ সময়
গুদামঘরটি ভাড়ার মাধ্যেম পিরচািলত হেত থােক, এবং িতিন দূর থেেকও এর আয়,
ব্যবস্থাপনা ও িনয়ন্ত্রণ বজায় রােখন। তার অনুপস্থিিত িছল দায়িত্বের কারেণ—ত্যােগর জন্য,
অবেহলার জন্য নয়।
সময়ের সােথ সােথ দূরত্ব বাড়েত থােক—শুধু ভৌগোিলক নয়, সম্পর্কেরও।
২০১১ সােলর িদেক পািরবািরক অস্থিরতা শুরু হয়। একই সময়ে তার সন্তান যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি
জমান। পািরবািরক চাপ ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের মধ্যে তার মা মানিসকভােব দুর্বল হয়ে পড়েন।
পরবর্তীেত, মায়ের মৃত্যু র পর দেেশ িফের এেস িম. হািরসুল আলম এক িনর্মম বাস্তবতার
মুখোমুিখ হন। িতিন দেখেত পান, তার অনুপস্থিিতর সুযোেগ তারই গড়া সম্পত্তির উপর
অন্যেদর িনয়ন্ত্রণ প্রিতষ্ঠিত হয়েেছ।
এই পর্যায়ে তার বোন, িনহািরকা লুবনা হক, সম্পত্তির উপর দািব উত্থাপন কেরন এবং
পরবর্তীেত একটি হেবার দিলেলর কথা সামেন আেস, যা সাম্প্রিতক সময়ে তৈির ও িনবন্ধিত
বেল দািব করা হয়।
