আগামী তিন দিনে কমতে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি
অনলাইন ডেস্ক
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আগামী তিন দিনে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি আরও কমতে পারে, ফলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
রবিবার (২৬ জুলাই) প্রকাশিত বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্যবেক্ষণাধীন স্টেশনগুলোর মধ্যে বর্তমানে শুধু সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি কমেছে। আগামী তিন দিনও পানি কমার এ ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। এতে সিলেট জেলার কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হতে পারে।
এদিকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদদের ধারণা, এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকার নদ-নদীর পানিও কমেছে। আগামী তিন দিন এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এরপরের দুই দিন পানি সমতল প্রায় স্থিতিশীল থাকতে পারে।
অন্যদিকে গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল থাকলেও আগামী তিন দিনের মধ্যে তা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৭২ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার কয়েকটি স্থানে সতর্কসীমা স্পর্শ করতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী, মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী তিন দিন এসব নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
