কুমিল্লার ৫ হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
কুমিল্লা প্রতিনিধি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নীতিমালা লঙ্ঘন ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে কুমিল্লা নগরীর পাঁচটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছে কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়। অভিযানে প্রতিষ্ঠানগুলোর হাসপাতাল, ল্যাব ও ডায়াগনস্টিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার বিকেলে কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. শফিকুল ইসলাম ও ডা. ওসমান হোসেন জাবীরের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. রেজা মোহাম্মদ সারওয়ার আকবর।
অভিযানে নগরীর রেইসকোর্স এলাকার প্রাইম হাসপাতাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পূর্বানুমোদন ছাড়া স্থান পরিবর্তন করায় হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
এভারগ্রীন হাসপাতাল সি-ক্যাটাগরির লাইসেন্স নিয়ে বি-ক্যাটাগরির ল্যাব পরীক্ষা পরিচালনা করায় তাদের ডায়াগনস্টিক ল্যাবের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এছাড়া, মিশন হাসপাতাল দীর্ঘদিন লাইসেন্স নবায়ন না করা এবং সি-ক্যাটাগরির লাইসেন্সে বি-ক্যাটাগরির পরীক্ষা পরিচালনা করায় তাদের ল্যাব সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগে ডেল্টা হাসপাতালের ল্যাব সেবাও বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে, ঝাউতলা এলাকার জননী ডায়াগনস্টিক সেন্টার নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত ফি আদায় এবং অনুমোদন ছাড়া স্থান পরিবর্তনের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির সব ধরনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ বলেন, জনস্বার্থে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সব বিধি-বিধান বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান নিয়ম লঙ্ঘন করলে বা রোগীদের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
