প্রথম দিনেই উত্তপ্ত সংসদ বিরোধী দলের ওয়াকআউট
নিজস্ব প্রতিবেদক
তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনই গতকাল ব্যাপক হট্টগোলে জাতীয় সংসদ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে এ হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিরোধী দল ওয়াকআউট করে। এদিন মন্ত্রী থেকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সংসদের আসনে বসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশের আসন এটি। গতকাল স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে নেপালে প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিহতদের পাশাপাশি সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়। অধিবেশনের আগে সংসদের কার্য-উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে চলতি অধিবেশনের মেয়াদ ও কার্যসূচি চূড়ান্ত করা হয়। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন চলবে। প্রতিদিন বেলা ৩টায় অধিবেশন বসবে। অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য নিয়ে আপত্তি জানান জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলীয় এমপিরা। এ নিয়ে তীব্র হট্টগোলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে অধিবেশন কক্ষ। সৃষ্টি হয় অচলাবস্থা। পরে স্পিকারের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিরসন হয়। এ সময় স্পিকার চলতি সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ও শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘পল্টনের বক্তৃতা’ ও ‘শাহবাগ চত্বর নয়’ মন্তব্য করলে তার প্রতিবাদ জানান বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। তারা দাঁড়িয়ে হই-হট্টগোল শুরু করেন। স্পিকার বারবার অনুরোধ করলেও তা আমলে না নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন তারা।
এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ তার সম্পূরক প্রশ্নে গত ছয় মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান-বাজনা ও নৌকাবাইচ বন্ধসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে জানতে চান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সফল হয়েছেন কি না এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পর্যাপ্ত ভূমিকা রাখতে পেরেছেন কি না? জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো বুঝতে পারিনি।’ তিনি প্রশ্নে উল্লেখ করা বিভিন্ন অপরাধের পরিসংখ্যানের ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে কি না, তা দৃশ্যমান। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সংঘটিত অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি বলেন, কোনো নির্দিষ্ট ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যর্থ হয়েছে, এমন উদাহরণ বিরোধী দলের সদস্যদের দিতে হবে। নির্দিষ্ট কোনো ঘটনা উল্লেখ করা হলে ৩০০ বিধিতে বক্তব্য দেওয়া যাবে। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসন থেকে দাঁড়িয়ে হট্টগোল শুরু করেন। পরিস্থিতি শান্ত করতে স্পিকার বলেন, সংসদে কথা বলার স্বাধীনতা রয়েছে এবং যুক্তি দিয়ে একে অপরের বক্তব্য খণ্ডন করা যাবে। পরমতসহিষ্ণুতা না থাকলে গণতন্ত্র ব্যর্থ হবে।
বিরোধী দলের সদস্যদের প্রতিবাদকে সংসদীয় কার্যক্রমের পরিপন্থি বলে মন্তব্য করে স্পিকার বলেন, ‘এটা তো আওয়ামী লীগের আমল না। আপনারা তো ইচ্ছেমতো সরকারকে ক্রিটিসাইজ করতে পারছেন।’ এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বক্তব্য শেষ করার সুযোগ দেন স্পিকার। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার যে শব্দচয়নে উনাদের আপত্তি, সেটার জবাব আমি দিতে পারব। আপনারা সারা দিন দাঁড়িয়ে থাকতে পারলে আমিও পারব। যদি কথা বলতে না দেন, তাহলে কীসের বাকস্বাধীনতা?’ তিনি বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের মামলায় আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ার বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানান। ‘হাওয়াইভাবে’ অভিযোগ না করে নির্দিষ্ট প্রশ্ন করার কথাও বলেন তিনি।
পরে ফ্লোর নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, ‘আমরা তাঁর ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসিনি। শিক্ষকতা করতে চাইলে ইউনিভার্সিটিতে গিয়ে করুক।’ তিনি বলেন, সংসদের প্রথম দিন থেকেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কথা বলছেন। তাঁর বক্তব্য সংসদের কার্যপ্রণালি থেকে এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানান তিনি এবং সংসদের মর্যাদা রক্ষায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলেন।
এদিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় স্পিকার বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে। অসংসদীয় কোনো বক্তব্য থাকলে তা কার্যপ্রণালি থেকে এক্সপাঞ্জ করা হবে। তবে সংসদ হচ্ছে কথা বলার জায়গা। যুক্তির মাধ্যমে একে অপরের বক্তব্য খণ্ডন করতে হবে, কিন্তু কারও কথা বলার স্বাধীনতা হরণ করা যাবে না। তিনি বলেন, ‘আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। আজকে একে অপরকে কথা বলার সুযোগকে যেভাবে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা দেখেছি, এটা সংসদের জন্য ভালো লক্ষণ নয়। অনেক কষ্টের পরে দেশে গণতন্ত্র অর্জিত হয়েছে। গণতন্ত্র বহাল রাখার দায়িত্ব প্রত্যেক সংসদ সদস্যের। সংসদ সদস্যদের ‘রুলস অব প্রসিডিউর’ পড়তে হবে। স্পিকার যখন কথা বলেন, তখন সবাইকে বসে শুনতে হয়। এই আইন-নীতি যদি না মানেন, ভঙ্গ করেন, তাহলে এই সংসদ বেশিদিন চলবে না।’ সংসদ পরিচালনায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। দীর্ঘদিনের সংসদীয় অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, গত ৪০ বছর ধরে তিনি জাতীয় সংসদের সঙ্গে যুক্ত। অতীতে বাংলাদেশের সংসদে অনেক খারাপ রেকর্ড রয়েছে, এমনকি স্পিকারকে হত্যার ঘটনাও ঘটেছে। তবে অতীতের তুলনায় বর্তমানে ভালো সংসদ পাওয়া গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিরোধী দলের ওয়াক আউট : বেসরকারি দিবসে সরকারি বিল উত্থাপনের প্রতিবাদে সংসদ থেকে ওয়াক আউট করেন জামায়াত-এনসিপি জোটের সদস্যরা। গতকাল রাত ৮টা ৫ মিনিটে আইন-প্রণয়ন কার্যাবলিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং ট্রান্সফার অব প্রপার্টি বিল নামে তিনটি বিল উত্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হলে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে সরকারের বিরুদ্ধে জুলাই জাতীয় সনদ, গণভোটের রায় না মানা, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেন। সংসদ থেকে ওয়াক আউট করার সময়ে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাদের সংসদে থাকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আলাপ-আলোচনা না থাকলে সমস্যার সমাধান হবে কীভাবে? বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতে তিনটি বিল উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ও আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। পরে উত্থাপিত বিল তিনটি পরীক্ষানিরীক্ষা করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা হয়। বিল উত্থাপনের আগে সালাহউদ্দিন আহমেদ বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন আমরা এমন একটি সংসদ উপহার দিই। এখানেই আলোচনা করব, এখানেই বাহাস করব এবং এখানেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণের জন্য কাজ করব।
শোক প্রস্তাব গ্রহণ : অধিবেশনের শুরুতে সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার এবং ১১ জন সাবেক সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে নেপালে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় সংসদের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়। এ ছাড়া চিত্রশিল্পী মোস্তফা মনোয়ার, রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক এবং শিক্ষাবিদ ড. মকবুল হোসেনের প্রয়াণেও শোক প্রকাশ করা হয়। শোক প্রস্তাবগুলো সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হওয়ার পর প্রয়াতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ।
সভাপতিমণ্ডলীতে পাঁচ সদস্য : স্পিকার তৃতীয় অধিবেশনের জন্য পাঁচ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলী মনোনয়ন দেন। তাঁরা হলেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সরোয়ার জামাল নিজাম, মুহাম্মদ নওশাদ জমির ও নিলুফার চৌধুরী মনি এবং বিরোধী দলের সদস্য মো. মুজিবুর রহমান। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে ঘোষিত ক্রমানুসারে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা সংসদের বৈঠক পরিচালনা করবেন।
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন : নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মহান জাতীয় সংসদ ও নিজের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মর্যাদা ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বেগবান হবে। তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের পর দীর্ঘ ৩৫ বছর বিরতিতে ২০২৬ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একটি অনন্য ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। সংসদ জনগণের আশা-আকাক্সক্ষার সর্বোচ্চ প্রতিফলন। তাই দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি দৃশ্যমান : মব সহিংসতা ও গণপিটুনির ঘটনায় সরকার ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ অনুসরণ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘সহিংসতায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। অপরাধের বিচার করার একচ্ছত্র কর্তৃত্ব রাষ্ট্রের। আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে শাস্তি দেওয়া বা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা বেআইনি এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।’ গতকাল সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব কথা বলেন তিনি। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে এ-সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা নিশীতা। তিনি জানতে চান, দেশে মব সহিংসতা ও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা প্রতিরোধে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের পরিকল্পনা কী?
সংসদে বিল : গুমকে স্বতন্ত্র ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল-২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল-২০২৬’ এবং ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২৬’ নামে আরও দুটি বিল উত্থাপন করা হয়। গতকাল সংসদ অধিবেশনে বিল তিনটি উত্থাপন করেন মন্ত্রীরা। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে বিল তিনটি উত্থাপনের আগে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা ওয়াকআউট করেন। বিলগুলো উত্থাপনের পর অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
