জার্মানির সাক্সনি-আনহাল্টে জয়ের পথে কট্টরপন্থি এএফডি
অনলাইন ডেস্ক
কয়েকদিন ধরে আলোচনায় থাকা জার্মান রাজ্য সাক্সনি-আনহাল্টে শেষ পর্যন্ত জয় পেতে যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থি দল অল্টারনেটিভ ফর ডয়েচলান্ড (এএফডি)।
বুথ ফেরত জরিপে দেখা গেছে, দলটি ৪৪ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে৷
কিন্তু একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য তা যথেষ্ট নয়৷ ফলে, দলটির পক্ষে সরকার গঠন করা কতটা সম্ভব হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়৷
জার্মান নির্বাচনি ব্যবস্থায়, মোট ভোটের ৫১ শতাংশ পেলেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় কোনো রাজনৈতিক দল৷ সেই হিসেবে এককভাবে সরকার গঠন করা এএফডি-এর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না৷
অন্যদিকে, এএফডি-এর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল সিডিইউ৷ বুথ ফেরত জরিপ বলছে, তারা মোট ভোটের ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে৷
বুথ ফেরত জরিপে আরও দেখা যাচ্ছে, বামপন্থি দল ডি লিংকে ৯.৫ শতাংশ, পরিবেশবাদী গ্রিন পার্টি ৯ শতাংশ, এসপিডি ৮ শতাংশ এবং বিএসডাব্লিউ ৫ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে৷
অন্যদিকে, এফডিপি ২ শতাংশ এবং এফডাব্লিউ ১ এবং অন্যান্যরা ২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে৷
এদিকে, কট্টর ডানপন্থি এএফডি-কে ঠেকাতে ‘ব্রান্ডমাউয়ার’ বা ফায়ারওয়ালনামের একটি অঘোষিত ব্যবস্থা রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে৷ এর অর্থ হলো, কোনো রাজনৈতিক দল সরকার গঠনে এএফডি-কে সমর্থন জানাবে না, অর্থাৎ এই দলের সঙ্গে জোট সরকার গঠন করবে না৷
সেক্ষেত্রে সিডিইউ, ডি লিংকে, গ্রিন পার্টি, এসপিডি এবং বিএসডাব্লিউ মিলে যদি জোট গঠনে সম্মত হয়, তাদের মোট ভোটের পরিমাণ হয় ৫০ শতাংশ৷ সেক্ষেত্রে সরকার গঠনের দৌড়ে তারা কিছুটা এগিয়ে থাকতে পারে৷
জার্মান নির্বাচনি ব্যবস্থায় কোনো দল ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে সেটা বিবেচনায় নেওয়া হয় না৷ সেক্ষেত্রে যারা সরকার গঠনের দৌড়ে এগিয়ে থাকে বা ৫ শতাংশের উপরে ভোট পেয়েছে, সে সব দলের সঙ্গে সংখ্যানুপাতে যোগ করা হয়৷ সেই হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিতে পারে সব সমীকরণ৷ ফলে, কারা শেষ পর্যন্ত সরকার গঠন করবে, তার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে আরো কিছুটা সময়৷
অন্যদিকে, এফডিপি ২ শতাংশ এবং এফডাব্লিউ ১ এবং অন্যান্যরা ২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে৷
এদিকে, কট্টর ডানপন্থি এএফডি-কে ঠেকাতে ‘ব্রান্ডমাউয়ার’ বা ফায়ারওয়ালনামের একটি অঘোষিত ব্যবস্থা রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে৷ এর অর্থ হলো, কোনো রাজনৈতিক দল সরকার গঠনে এএফডি-কে সমর্থন জানাবে না, অর্থাৎ এই দলের সঙ্গে জোট সরকার গঠন করবে না৷
সেক্ষেত্রে সিডিইউ, ডি লিংকে, গ্রিন পার্টি, এসপিডি এবং বিএসডাব্লিউ মিলে যদি জোট গঠনে সম্মত হয়, তাদের মোট ভোটের পরিমাণ হয় ৫০ শতাংশ৷ সেক্ষেত্রে সরকার গঠনের দৌড়ে তারা কিছুটা এগিয়ে থাকতে পারে৷
জার্মান নির্বাচনি ব্যবস্থায় কোনো দল ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে সেটা বিবেচনায় নেওয়া হয় না৷ সেক্ষেত্রে যারা সরকার গঠনের দৌড়ে এগিয়ে থাকে বা ৫ শতাংশের উপরে ভোট পেয়েছে, সে সব দলের সঙ্গে সংখ্যানুপাতে যোগ করা হয়৷ সেই হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিতে পারে সব সমীকরণ৷ ফলে, কারা শেষ পর্যন্ত সরকার গঠন করবে, তার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে আরো কিছুটা সময়৷
অন্যদিকে, এফডিপি ২ শতাংশ এবং এফডাব্লিউ ১ এবং অন্যান্যরা ২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে৷
এদিকে, কট্টর ডানপন্থি এএফডি-কে ঠেকাতে ‘ব্রান্ডমাউয়ার’ বা ফায়ারওয়ালনামের একটি অঘোষিত ব্যবস্থা রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে৷ এর অর্থ হলো, কোনো রাজনৈতিক দল সরকার গঠনে এএফডি-কে সমর্থন জানাবে না, অর্থাৎ এই দলের সঙ্গে জোট সরকার গঠন করবে না৷
সেক্ষেত্রে সিডিইউ, ডি লিংকে, গ্রিন পার্টি, এসপিডি এবং বিএসডাব্লিউ মিলে যদি জোট গঠনে সম্মত হয়, তাদের মোট ভোটের পরিমাণ হয় ৫০ শতাংশ৷ সেক্ষেত্রে সরকার গঠনের দৌড়ে তারা কিছুটা এগিয়ে থাকতে পারে৷
জার্মান নির্বাচনি ব্যবস্থায় কোনো দল ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে সেটা বিবেচনায় নেওয়া হয় না৷ সেক্ষেত্রে যারা সরকার গঠনের দৌড়ে এগিয়ে থাকে বা ৫ শতাংশের উপরে ভোট পেয়েছে, সে সব দলের সঙ্গে সংখ্যানুপাতে যোগ করা হয়৷ সেই হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিতে পারে সব সমীকরণ৷ ফলে, কারা শেষ পর্যন্ত সরকার গঠন করবে, তার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে আরো কিছুটা সময়৷
অন্যদিকে, এফডিপি ২ শতাংশ এবং এফডাব্লিউ ১ এবং অন্যান্যরা ২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে৷
এদিকে, কট্টর ডানপন্থি এএফডি-কে ঠেকাতে ‘ব্রান্ডমাউয়ার’ বা ফায়ারওয়ালনামের একটি অঘোষিত ব্যবস্থা রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে৷ এর অর্থ হলো, কোনো রাজনৈতিক দল সরকার গঠনে এএফডি-কে সমর্থন জানাবে না, অর্থাৎ এই দলের সঙ্গে জোট সরকার গঠন করবে না৷
সেক্ষেত্রে সিডিইউ, ডি লিংকে, গ্রিন পার্টি, এসপিডি এবং বিএসডাব্লিউ মিলে যদি জোট গঠনে সম্মত হয়, তাদের মোট ভোটের পরিমাণ হয় ৫০ শতাংশ৷ সেক্ষেত্রে সরকার গঠনের দৌড়ে তারা কিছুটা এগিয়ে থাকতে পারে৷
জার্মান নির্বাচনি ব্যবস্থায় কোনো দল ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে সেটা বিবেচনায় নেওয়া হয় না৷ সেক্ষেত্রে যারা সরকার গঠনের দৌড়ে এগিয়ে থাকে বা ৫ শতাংশের উপরে ভোট পেয়েছে, সে সব দলের সঙ্গে সংখ্যানুপাতে যোগ করা হয়৷ সেই হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিতে পারে সব সমীকরণ৷ ফলে, কারা শেষ পর্যন্ত সরকার গঠন করবে, তার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে আরো কিছুটা সময়৷
জার্মানির অপেক্ষাকৃত ছোট এই রাজ্যটিতে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ১৭ লাখ৷ তাদের ভোটেই নির্ধারিত হবে মাগডেবুর্গের পার্লামেন্টে পরবর্তী প্রতিনিধিরা৷ একজন ভোটার মোট দুটি করে ভোট দিয়েছেন৷ একটি ভোট হচ্ছে পছন্দের প্রার্থীর জন্য এবং অপর ভোটটি হলো দলের প্রতি৷
জার্মানির স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় শুরু হয়ে একটানা ভোটগ্রহণ চলেছে ৬টা পর্যন্ত৷
মোট ভোটার সংখ্যা ১৭ লাখ হলেও ভোট গণনা শেষ হতে সোমবার ভোর হয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা৷
এই নির্বাচনের দিকে শুধু জার্মানিই নয়, তীক্ষ্ণ নজর রাখছে গোটা ইউরোপ৷ কারণ, জনমত জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে এই নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পেতে যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থি হিসেবে পরিচিত অল্টারনেটিভ ফর ডয়েচলান্ড (এএফডি)৷ সেটাই সত্যি হলো, বুথ ফেরত জরিপেও৷
দীর্ঘদিন ধরে ওই অঞ্চলটিতে ক্ষমতায় থাকা সিডিইউ ২০ শতাংশ ভোট পাওয়ার পূর্বাভাস থাকলে তার পেয়েছে ১৮.৫ শতাংশ ভোট৷ জনমত জরিপের ফল যদি ভোট গণনাতেও প্রতীয়মান হয়, সেক্ষেত্রে জার্মানির কোনো একটি রাজ্যে প্রথমবারের মতো রাজ্য সরকার গঠন করতে যাচ্ছে এএফডি৷ যদিও প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য রাজনৈতিক দলগুলো এএফডিকে ঠেকাতে তাদের সঙ্গে জোট না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷
এদিকে নির্বাচনে এককভাবে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন এএফডি প্রার্থী উলরিশ সিগমুন্ড৷ তিনি বলেছেন, এই নির্বাচনে জয়ের মধ্য দিয়ে সাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্যকে তিনি জার্মানিজুড়ে ডানপন্থি রাজনীতির একটি আদর্শ মডেলে রূপান্তর করতে চান৷
এই নির্বাচনে অভিবাসনই প্রধান ইস্যু আর এএফডি রাজনীতিও অভিবাসনকে পুঁজি করেই৷ যদিও জার্মানির অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় সেখানে তুলনামূলকভাবে কম সংখ্যক বিদেশি নাগরিক বসবাস করেন৷ ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ সাক্সনি-আনহাল্টের মোট জনসংখ্যার (২১ লাখ ২০ হাজার ২৫২) মাত্র ৯ শতাংশ (এক লাখ ৯২ হাজার ১৫৫) ছিলেন বিদেশি নাগরিক৷
‘‘বিদেশিরা করদাতাদের টাকায় জীবনযাপন করছে” এমন প্রচার নিয়ে ভোটারদের কাছে টানার চেষ্টা করেছে এএফডি৷ দলটি জানিয়েছে, যেসব বিদেশি নাগরিকের জার্মানিতে থাকার বৈধ অধিকার নেই, কিন্তু মানবিক কারণে থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তাদের ফেরত পাঠানো হবে৷
দলটির প্রথম একশ দিনের পরিকল্পনায় আরো বলা হয়েছে, গণতন্ত্রপন্থি বেসরকারি সংস্থাগুলোতে অর্থায়ন কমানো হবে, শরণার্থীদের অবশ্যই কাজ করতে বাধ্য করা হবে এবং সামাজিক বৈচিত্র্যের চেয়ে জার্মান মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা ও আনুগত্যকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সূত্র: ডয়েচে ভেলে
