কাউন্টির প্রথম বিভাগে ফিরল খালেদ-হাসানদের কেন্ট
স্পোর্টস ডেস্ক
কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন ওয়ানে দুই মৌসুম পর ফিরেছে কেন্ট। ডিভিশন টু-এর শেষ রাউন্ডে নর্থ্যাম্পটনের হারে প্রথম বিভাগে খেলার টিকিট নিশ্চিত হয়েছে দলটির। কেন্টের এই সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন বাংলাদেশের দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদ।
ডিভিশন ওয়ানে ফেরার লড়াইয়ে টিকে থাকতে শেষ ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না নর্থ্যাম্পটনের। কিন্তু লর্ডসে মিডলসেক্সের বিপক্ষে ৭ উইকেটে হেরে সেই সুযোগ হারায় তারা। ফলে ১৯১ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করে নর্থ্যাম্পটন।
অন্যদিকে, ১৯৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থেকে শেষ রাউন্ড শুরু করা কেন্ট গ্লস্টারশায়ারের বিপক্ষে জয়ের পথে রয়েছে। নর্থ্যাম্পটনের হার নিশ্চিত হওয়ার পরই তাদের ডিভিশন ওয়ানে ফেরা নিশ্চিত হয়ে যায়।
সবশেষ ২০২৪ সালে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন ওয়ানে খেলেছিল কেন্ট। দুই মৌসুম পর দলটির প্রথম বিভাগে ফেরার পথে বড় অবদান রেখেছেন বাংলাদেশের দুই পেসার।
গ্লস্টারশায়ারের বিপক্ষে চলমান ম্যাচের দুই ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন খালেদ আহমেদ। এর আগে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে কেন্টের ৭ উইকেটের জয়ে ম্যাচে মোট আট উইকেট শিকার করেন তিনি। প্রথম ইনিংসেই নিয়েছিলেন পাঁচ উইকেট। ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে হারের ম্যাচেও তার ঝুলিতে ছিল তিন উইকেট।
তবে কেন্টের হয়ে হাসান মাহমুদের পারফরম্যান্স ছিল আরও নজরকাড়া। কাউন্টি ক্রিকেটে অভিষেক ম্যাচেই ৯ উইকেট নিয়ে দলকে জয় এনে দেন এই পেসার। এরপরও দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখে মাত্র চার ম্যাচে শিকার করেন ২৬ উইকেট।
চার ম্যাচে হাসানের বোলিং গড় ১৫.৭৬, যা ডিভিশন টু-তে অন্তত ২০ উইকেট নেওয়া বোলারদের মধ্যে সেরা। প্রতি ২৯.২৬ বল পরপর একটি করে উইকেট নিয়েছেন তিনি। ১০ বা তার বেশি উইকেট নেওয়া বোলারদের মধ্যে তার স্ট্রাইক রেটও ছিল সেরা।
হাসান যে চার ম্যাচ খেলেছেন, তার তিনটিতেই জয় পেয়েছে কেন্ট। তবে শেষ দুই রাউন্ডের আগে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শুরুতে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়া হলেও এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি এবং সামনে থাকা ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচির কথা বিবেচনায় পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বিসিবি।
ডিভিশন টু থেকে এর আগেই ডিভিশন ওয়ানে খেলা নিশ্চিত করেছে ডারহাম। এবার নর্থ্যাম্পটনের হারে দ্বিতীয় দল হিসেবে প্রথম বিভাগে জায়গা করে নিল কেন্ট।
