আফ্রিকাতে ইরানের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা, তৎপর ইসরায়েলও

অনলাইন ডেস্ক

আফ্রিকাতে ইরানের প্রভাব বাড়ানোর প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলও প্রতিবেশী মহাদেশের সাথে সম্পর্ক শক্তিশালী করার তৎপরতা শুরু করেছে।

আনাদোলু এজেন্সির খবার অনুসারে, ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির আফ্রিকা সফরের কিছুদিনের মধ্যেই কেনিয়াতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলি কোহেন বৈঠকে বসেন।

কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলফ্রেড মুটুয়ার সঙ্গে আলোচনার পর এক বিবৃতিতে কোহেন বলেছেন, আফ্রিকাতে ইরানের প্রভাব বাড়ানোর প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে, প্রতিবেশী মহাদেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক বৃদ্ধি করা এবং ইসরায়েলের অবস্থানকে শক্তিশালী করা; আমাদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কেনিয়াতে কোহেনের ১০ ঘণ্টা সংক্ষিপ্ত সফরের আরও একটি উদ্দেশ্য হলো- মহাদেশটিতে ইরানের উপস্থিতি এবং প্রভাব বাড়ানোর প্রচেষ্টা মাথায় রেখে আফ্রিকার সাথে ইসরায়েলের সম্পর্ক জোরদার করা।

রুটোর সাথে সাক্ষাতের পর, আফ্রিকা মহাদেশে ইসরায়েলের অবস্থানকে উন্নীত করার জন্য এবং যে সকল রাষ্ট্রের সাথে ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই সেগুলোতে সম্পর্কের দ্বার উন্মোচন করার প্রচেষ্টার জন্য ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেনিয়ার সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

কোহেন আফ্রিকান ইউনিয়নের শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য রবিবার কেনিয়াতে উপস্থিত হন। মৌরিতানিয়া, নাইজার এবং মালিসহ অন্যান্য আফ্রিকান নেতাদের সাথেও আলোচনায় বসেন তিনি।

কেনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুটুয়া তার এক বিবৃতিতে বলেন, কোহেনের সাথে বৈঠকে আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্ধারিত মান অনুযায়ী ইসরায়েলের কাছে কেনিয়ার কৃষি পণ্যের গ্রহণযোগ্যতাকে বাস্তবায়ন করার প্রচেষ্টা চালিয়েছি।

গত সপ্তাহে কেনিয়ায় রুটো এবং রাইসির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পর ইরানের সাথে ২২টি সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষর করে। উগান্ডা এবং জিম্বাবুয়েতে থাকাকালীন রাইসি কিছু চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন যার মধ্যে জ্বালানি এবং যোগাযোগের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights