পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভালের দ্বিতীয় দিনে যেসব আয়োজন ছিল

কক্সবাজার প্রতিনিধি

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে আয়োজিত সাত দিনব্যাপী পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভালের দ্বিতীয় দিনেও ছিল নানা আয়োজন।

বৃহস্পতিবার সকালে রোড শো করা হয়, যা শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এছাড়া সৈকতের আশপাশের এলাকা ঘুরে লাবণী পয়েন্টে এসে তা শেষ হয়। বিকালে জেটস্কি শো করা হয়।

এ আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ।
এদিকে আজ ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ থাকলেও তিনদিনের ছুটিতে কক্সবাজারে লাখো পর্যটকের সমাগম হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

পর্যটনমেলা ও বিচ কার্নিভালকে ঘিরে কক্সবাজার শহর সেজেছে বর্ণিল সাজে। পর্যটনমেলা ও বিচ কার্নিভালে মঞ্চ ও দুই শতাধিক স্টল নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া হোটেল-মোটেল থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, কিটকটসহ পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সব প্রতিষ্ঠানে ‘বিশেষ ছাড় চলছে।

মূলত বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে কক্সবাজারকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে ও এখানকার পর্যটন শিল্পের প্রসারে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের পুলিশ সুপার জিল্লুর রহমান বলেন, ‘পর্যটনমেলা ও বিচ কার্নিভাল এবং তিনদিনের ছুটিতে কক্সবাজারে ব্যাপক পর্যটক সমাগম হবে। পর্যটকদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান বলেন, ‘দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজারকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে এ মেলা ও বিচ কার্নিভালের আয়োজন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, নানা বৈচিত্র্যে ভরা সাত দিনের এ উৎসবের রং বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে’।

অপরদিকে, এ পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভালের তৃতীয় দিন শুক্রবার থাকছে নানান আয়োজন। সকাল ১০টায় বিআইডব্লিউ ঘাট থেকে নৌর‍্যালি হবে। র‍্যালিটি মহেশখালী হয়ে আবার কক্সবাজার ফিরে আসবে।

দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ঘুড়ি উৎসব, বিকাল সাড়ে ৪টায় মেলা মঞ্চে পর্যটন আবাসন খাতে বিনিয়োগ সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা শীর্ষক সেমিনার, সাড়ে ৫টায় ম্যাজিক শো, এরপর ফায়ার স্পিনিং, সন্ধ্যা ৭টায় লাইফ গার্ড রেসকিউ প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে, রাত ৯ টায় ফানুস উৎসব, রাত ১১ টায় ডিজে শো। শুক্রবার নিশিথা বড়ুয়া ও ব্যান্ড দল সোনার বাংলা সার্কাস সংগীত পরিবেশন করবে।

সেইসাথে বিকাল থেকে কক্সবাজারের স্থানীয় শিল্পীরাও সংগীত পরিবেশন করবেন। এছাড়া খাগড়াছড়ি গীতিনাট্য দলের পরিবেশনা থাকবে বিকালে। সন্ধ্যায় সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টের উন্মুক্ত মঞ্চে বিনামূল্যে সার্কাস প্রদর্শনী থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights