ইমদাদ-সিতারা খান বৃত্তি পেলেন ৮৩৫ শিক্ষার্থী
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩৫ জনের বেশি মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে ইমদাদ-সিতারা খান বৃত্তি তুলে দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে ইমদাদ-সিতারা খান ফাউন্ডেশনের অর্থায়ন ও স্পন্দনবির উদ্যোগে এ বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন স্পন্দনবির কান্ট্রি ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. আমেনা বেগম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক সদস্য অধ্যাপক ড. এহসানুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন স্পন্দনবির ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া ইমদাদ-সিতারা খান ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন সিতারা খান, সভাপতি মারুফা কানিজ ও উপদেষ্টারা ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘সার্টিফিকেটধারী না হয়ে ভালো মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকাটা বেশি প্রয়োজন। আমাদের উচিত নিজেকে সবসময় বড় মনে না করা, এদিক থেকে জাপানের নৈতিক শিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
অধ্যাপক ড. এহসানুল হক বলেন, ‘বাবা-মায়েদের উচিত সন্তানরা যেন ভালো কিছু শিখুক, এ বিষয়ে সচেতন হওয়া। শুধু প্রথম হওয়ার জন্য চাপ দেওয়া কখনোই উচিত না। জ্ঞান ও প্রজ্ঞা দুটোই থাকলেও আমাদের বেশি প্রয়োজন প্রজ্ঞা।’
ফাউন্ডেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সিতারা খান বলেন, ‘এই বৃত্তি শুধু আর্থিক সহায়তা নয়; এটি মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের একটি উদ্যোগ। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠাতা ড. ইমদাদ এইচ খান বিশ্বাস করতেন, প্রকৃত সাফল্য নিজের অর্জনে নয়, বরং অন্যের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার মধ্যেই নিহিত।’
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আমেনা বেগম বলেন, ‘ইমদাদ-সিতারা খান বৃত্তি শুধু একটি বৃত্তি নয়; এটি মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণের একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম। গত ২২ বছরে এ কর্মসূচি হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।’
