ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক
ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সরকার কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, ইলিশের বিচরণক্ষেত্রের নদীগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত ড্রেজিং না হওয়ায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে নদী খনন, পানির প্রবাহ বৃদ্ধি, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জাটকা নিধন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) উদ্ভাবিত এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (এইচ৯এন২) ও গোটপক্সের ভ্যাকসিন সিড প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ও ঐতিহ্যের অংশ। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে একই প্রজাতির মাছ পাওয়া গেলেও বাংলাদেশের ইলিশের স্বাদ আলাদা। পদ্মা-মেঘনার পানির কারণে এই স্বাদ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সরকার কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মধ্যে নদীর নাব্যতা ও পানির প্রবাহ বাড়ানো অন্যতম। পাশাপাশি জাটকা ধরা বন্ধে চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
এ বছর থেকে জেলেদের বিকল্প আয়ের সুযোগ তৈরির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী জানান, ইলিশ যখন ডিম ছাড়ে, তখন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়। এ সময় জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়। তবে শুধু খাদ্য সহায়তা দিয়ে জেলেদের বসিয়ে রাখা নয়, তাদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, যেসব এলাকায় জেলেরা বসবাস করেন, সেখানে পশুপালন, উন্নত জাতের ঘাস উৎপাদনসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে মাছ ধরা বন্ধ থাকার সময়ে তাদের অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ তৈরি হবে।
