এদের রয়েছে সারাদেশে টিকিট কালোবাজারির বিশাল নেটওয়ার্ক। ট্রেনের টিকিট কালোবাজারিদের শিকড়ে সন্ধান পেয়েছে পুলিশর
আব্দুস সালাম, দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ ট্রেনের টিকিট
কালোবাজারিদের হল সেলার (শিকড়ের) সন্ধান পেয়েছে দিনাজপুর
রেলওয়ে থানা পুলিশ, দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন আন্ত ঃ নগর ট্রেনের
টিকিট কাউন্টারের সামনে অবস্থিত রাইশা ফাস্ট-ফুড এর
দোকান, দোকানের অন্তরালে দেশের বিভিন্ন স্টেশন থেকে এবং
অনলাইন থেকে টিকিট কেটে বিভিন্ন স্থানের যাত্রী সাধারণের
গন্তব্যের টিকিট তারা উচ্চ মূল্যে বিক্রয় করে আসছে, টিকিট
কাউন্টার, এবং অনলাইনে টিকিট না পেয়ে বাধ্য হয়ে উচ্চ মূল্যে
এই কালোবাজারিদের কাছ থেকে টিকিট কিনতে বাধ্য হচ্ছেন
যাত্রীরা, সহোদর দুই ভাইয়ের রয়েছে সারাদেশে টিকিট
কালোবাজারির বিশাল নেটওয়ার্ক।
সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ১১ টায় (জিআরপি)
থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে,
টিকিট কালোবাজারিরা প্রকাশ্যে উচ্চ মূল্যে টিকিট বিক্রয়
করছে। থানার অফিসার ইনচার্জ হারুন অর রশিদ (মৃধা)র,
নির্দেশে এস আই জহির রায়হান সঙ্গিও ফর্স নিয়ে ঘটনাস্থল
থেকে দিনাজপুর পৌরসভাধীন মিশন রোড এলাকার গোলাম
জেলানীর পুত্র মো. জীবনকে ৭০৬ নম্বর একতা এক্সপ্রেস পার্বতীপুর
থেকে ঢাকা ৮১৫ নম্বর পর্যটক এক্সপ্রেস কক্সবাজার থেকে ঢাকা
যাত্রার মোট ৭ টি টিকিট উদ্ধার ও আটক করে পুলিশ।
দিনাজপুর রেলওয়ে থানার এস আই তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, ধৃত
মো. জীবন স্বীকারোক্তি দেয় যে, দীর্ঘদিন যাবত আন্ত ঃ নগর
টিকিট কাউন্টারের সামনে অবস্থিত রাইসা ফাস্ট-ফুড এর
দোকানদার মিশন রোড (ষষ্টিতলা) এলাকার বাসিন্দা মো. জালাল
উদ্দিনের দুই পুত্র মো. রাশেদুল ইসলাম রুবেল, সহোদর ভাই মো.
রাসেল ইসলাম এর নিকট থেকে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহের
মাধ্যমে যাত্রী সাধারণের মাঝে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
এ ব্যাপারে দিনাজপুর রেলওয়ে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে, ২৫
(১) দা ¯েপশাল পাওয়ার্স অ্যাক্ট, ১৯৭৪ ধারায় রুজু করা হয়, যার নং
২,তারিখ ১২/০২/২০২৪। তদন্ত শেষে প্রমাণ পাইলে, হল সেলারদের ধৃত
করা হবে বলে এ প্রতিনিধিকে জানান।
