এন্দ্রিকের দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যৎ রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতেই

অনলাইন ডেস্ক
রিয়াল মাদ্রিদে খেলার যথেষ্ট সুযোগ না পাওয়ায় ধারে অলিম্পিক লিওঁতে যোগ দিয়েছেন এন্দ্রিক। তবে তার দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যৎ সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়েই। বিষয়টি জোর দিয়ে বলেছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের এজেন্ট চিয়াগো ফ্রেয়তাস।

গত ডিসেম্বরে রিয়াল থেকে ধারে লিওঁতে গিয়ে সেখানে শুরুটা দারুণ করেন এন্দ্রিক। ফরাসি দলটির হয়ে প্রথম পাঁচ ম্যাচে করেন একটি হ্যাটট্রিকসহ পাঁচ গোল, অবদান রাখেন আরেকটি গোলে। সবশেষ ম্যাচটা যদিও তার হতাশায় কেটেছে। লিগ আয়ঁ শনিবার রাতে নতেঁর বিপক্ষে দলের ১-০ গোলে জয়ের ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছেন তিনি। তবে, সব মিলিয়ে কোচ ও সতীর্থদের আস্থা অর্জন করতে পেরেছেন তরুণ ফরোয়ার্ড।

লিওঁতে চুক্তির মেয়াদ শেষে এন্দ্রিকের পরিকল্পনা কী, উইন উইন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকার এমন প্রশ্নের উত্তরে ফ্রেয়তাস জানান, অবশ্যই রিয়াল মাদ্রিদের ফিরে যাওয়া। তিনি জানান, এন্দ্রিক ছয় মাসের ধারের চুক্তিতে লিওতেঁ যোগ দিয়েছে। (এর পরের) সিদ্ধান্তও ইতোমধ্যে নেওয়া হয়ে গেছে এবং এন্দ্রিক রেয়াল মাদ্রিদের ফিরবে। এ বিষয়ে কোনোরকম অনিশ্চয়তা বা গোপন কিছু নেই। চুক্তিটি কেবল ধারে খেলার, সেখানে কোনোরকম কিনে নেওয়ার সুযোগ নেই। তাই এন্দ্রিক অবশ্যই রিয়াল মাদ্রিদে ফিরবে।

তিনি আরও জানান, পরের মৌসুমে কী হবে? এর ভবিষ্যদ্বানী আমি করতে পারব না। তবে আমি এটা বলতে পারি যে, এই মৌসুম শেষে এন্দ্রিক আবার রেয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড় হবে।

দারুণ প্রতিভাবান এন্দ্রিককে পেতে তার ক্লাব পালমেইরাসের সঙ্গে ২০২২ সালেই চুক্তি সেরে ফেলে রিয়াল মাদ্রিদ। পরে তার ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে তাকে দলে টানে স্প্যানিশ ক্লাবটি। ইউরোপের সফলতম ক্লাবটিতে শুরুটা তার বেশ ভালোই হয়। ২০২৪-২৫ মৌসুমে লা লিগা ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অভিষেকেই পান জালের দেখা। ওই মৌসুমে কোপা দেল রেতে করেন দলের সর্বোচ্চ পাঁচটি গোল।

কিন্তু এই মৌসুমে রিয়ালের হয়ে তার খেলার সময় আরও কমে যায়। অবশ্য রেয়ালের স্কোয়াডের আকার এবং এর খেলোয়াড়দের দিকে তাকালে সেটা স্বাভাবিক বলেই মনে হয় ফ্রেয়তাসের।

তিনি জানান, রিয়াল মাদ্রিদে অল্প কয়েক মিনিট খেলেছে এন্দ্রিক। কারণ সে যখন এই ক্লাবে আসে, তখন এই দলের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের দিকে তাকালেই বুঝতে পারবেন, বিশ্বের সেরা ১০ খেলোয়াড়ের আট জনকেই এখানে খুঁজে পাবেন: ফিফা র্বসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জয়ী ভিনিসিউস জুনিয়র, অনেক বড় ও অসাধারণ এক খেলোয়াড় এমবাপে, ব্যালন দ’র জিততে সক্ষম গ্রেট ফুটবলার জুড বেলিংহ্যাম এবং অনেক চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচে ব্যবধান গড়ে দেওয়া রদ্রিগো।”

তিনি আরও বলেন, ১৮ বছর বয়সী একজন ফুটবলারের এমন ক্লাবে এসে (এসব ফুটবলারের ভিড়ে) অল্প সময় সুযোগ পাওয়াটাই স্বাভাবিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights