কলাপাড়ায় চালু হয়েছে ‘কৃষক বাজার’
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
কোন আড়ৎ কিংবা মধ্যস্বত্বাকারী নয়, ক্রেতা কাছে ন্যায্যমূল্যে ফসল সরাসরি বিক্রি করছেন কৃষকরাই। শনিবার সকালে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রান্তিক কৃষকদের নিয়ে প্রথমবারের মতো চালু করা হয়েছে কৃষক বাজার।
উপজেলা প্রশাসেনর ব্যবস্থাপনায়,আমরা কালাপাড়াবাসী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহায়তায় প্রেসক্লাব সংলগ্ন ভলিবল খেলার মাঠে এমন বাজারের আয়োজন করা হয়। এ বাজরটিতে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে কৃষকরা তাদের খেতের উৎপাদিত ফসল নিয়ে হাজির হন। আর ক্রেতা বিক্রেতাদের হাকডাকে মুখরিত হয়ে উঠে কৃষক বাজার।
এদিকে নিন্ম আয়ের মানুষরা কম দামে শাক-সবজি কিনতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ন্যায্যমূল্যে কিনতে পেরে অনেকটা উচ্ছসিত ক্রেতা। তবে স্বস্তির এই বাজার টিকিয়ে রাখতে এগিয়ে আসবে সব শ্রেনীপেশার মানুষ। এমন প্রত্যাশা কৃষক সহ ক্রেতাদের।
আয়োজকরা জানান, উর্ধ্বমূখী সবজির বাজারে চাহিদা থাকলেও কাচা পণ্য ক্রয় করতে ভাবতে হয় সব শ্রেনীর ক্রেতাদের। তাই বিকল্প চিন্তাধারায় মধ্যসত্ত¡ভোগী ও খাজনা ব্যতিত স্বস্তির বাজার নিয়ন্ত্রনে এবার চালু করা হয়েছে কৃষক বাজার। এ বাজারে থাকবে মুলা, বেগুন, লাউ, লাউশাক, পুইশাক, পটল, পেঁপে, ঝিঙা, কাঁচকলাসহ বিভিন্ন প্রকারে শাক সবজি। এতে করে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েই লাভবান হবে। তবে এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে জানিয়েছেন তারা।
কৃষকরা বলছেন, তারা ন্যায্যমূল্যে খেতের উৎপাদিত ফসল খাজনা বিহীন এ বাজারে বিক্রি করেছেন। এখন থেকে কোন আড়ৎ কিংবা মধ্যস্বত্বাকারী কাছে যাবেন না। এই বাজারেই পন্য বিক্রি করবেন বলে তারা জানান। ক্রেতারা বলছেন, অন্যান্য বাজারের তুলনায় এই বাজারে শাক সবজির দাম একটু কম। তাই এই বাজার থেকে সবজি কিনে অনেকটা অর্থের সাশ্রয় হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানান, প্রান্তিক কৃষকরা তাদের খেতের উৎপাদিত ফসল মধ্যস্বত্বভোগী কিংবা খাজনা খরচ ছাড়াই এ বাজারে সরাসরি বিক্রি করবেন। তবে সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি।
