ক্রিকেটারদেরই সব কৃতিত্ব : তামিম

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। বাঁ-হাতি ওপেনার দেশকে নেতৃত্বও দিয়েছেন। ক্যারিয়ারে বহু জয় উপহার দিয়েছেন দেশকে। এখন বিসিবির সভাপতি হিসেবে দেশের জয় উপভোগ করছেন। বিসিবির নির্বাচিত সভাপতি হওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবার ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। এর আগে তিনি অ্যাডহক কমিটির প্রধান থাকাকালীন টাইগাররা নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের বিপক্ষেও সিরিজ জিতেছে। সেই অর্থে বিসিবির সফল সভাপতি বলাই যায় তাকে। তার সময় বাংলাদেশ নারী দল টি-২০ বিশ্বকাপে জিতেছে। দলের সাফল্যে প্রশংসায় ভাসছেন বিসিবি সভাপতি। প্রশংসিত হওয়ার মতো কাজও করেছেন তামিম। নারী ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়িয়েছেন। বেতন বাড়িয়েছেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের। এত এত প্রশংসা, অথচ ঠিক মেনে নিতে পারছেন না বিসিবির নতুন সভাপতি। মাঝে মাঝে বিব্রতও হচ্ছেন। টাইগাররা টানা তিনটি সিরিজ জিতেছে। বিশেষ করে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের কৃতিত্ব নিজের দেখছেন না বিসিবি সভাপতি, ‘এ সিরিজের সব জয়ে আমার কোনো অবদান নেই। সব কৃতিত্ব খেলোয়াড় এবং দল ব্যবস্থাপনার সদস্যদের পাওয়া উচিত। আমি যা করিনি তার জন্য আমার কৃতিত্ব নেওয়া উচিত নয় এবং এটি বলা অন্তত বেশ বিব্রতকর।’

কৃতিত্ব নিচ্ছেন না। কিন্তু ম্যাচ শেষে প্রতিটি ক্রিকেটারকে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে আত্মবিশ্বাস জোগান। বিসিবি সভাপতির সঙ্গে আগের সভাপতিদের পার্থক্য, মঞ্চে উঠে তামিম নিজে পুরস্কার দেন না। সাাবেক ক্রিকেটার, বরেণ্য ব্যক্তিত্বদের দিয়ে পুরস্কার দেওয়ান। সিরিজ জয়ে প্রশংসার প্রতি উত্তরে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘খেলোয়াড়রা খেলেন, আমি খেলি না।’ গত ৭ জুন বিসিবির নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন তামিম ইকবাল। চার বছর মেয়াদে থাকাকালীন দেশের ক্রিকেটের উন্নতি করতে পারলেই তার প্রশংসা করা উচিত বলেন তিনি, ‘আমার মেয়াদে আমি যদি পাইপলাইন শক্তিশালী করতে পারি, সুযোগসুবিধা বাড়াতে পারি এবং বোর্ডকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে পারি, তবেই আপনারা আমার প্রশংসা বা সমালোচনা করতে পারেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights