গ্লোবাল পিস ইনডেক্স: সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ৫ দেশের তালিকা প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, সংঘাত ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বেড়ে চললেও কিছু দেশ এখনো শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতীক হয়ে আছে। এ বছর গ্লোবাল পিস ইনডেক্স (জিপিআই) জানাচ্ছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বেশি সংঘাত চলছে পৃথিবীতে। শুধু এ বছরেই তিনটি নতুন সংঘাত শুরু হয়েছে। তবুও কিছু দেশ যুদ্ধ এড়িয়ে শান্তিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে।

ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস ইনস্টিটিউট প্রকাশিত জিপিআই ২৩টি সূচকের (যেমন—সংঘাত, সামরিক ব্যয়, সন্ত্রাসবাদ, খুন ও নিরাপত্তা সূচক) বিশ্লেষণ করে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকা দিয়েছে।

নিচে এ বছরের শান্তিপূর্ণ শীর্ষ ৫ দেশের তালিকা তুলে ধরা হলো—

১. আইসল্যান্ড
২০০৮ সাল থেকে টানা ১৭ বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ।

নিরাপত্তা, চলমান সংঘাত ও সামরিকীকরণ সূচকে সর্বনিম্ন স্কোর।

চলমান সংঘাত সূচকে স্কোর মাত্র ১—কোনো অভ্যন্তরীণ বা আন্তর্জাতিক সংঘাত নেই।

অপরাধের হার অত্যন্ত কম, প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী, সামাজিক আস্থা উচ্চমানের।

বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

২. আয়ারল্যান্ড
একসময় সংঘাতপ্রবণ হলেও এখন শান্তির মডেল।

দীর্ঘদিন ধরে গ্লোবাল পিস ইনডেক্সে শীর্ষের কাছাকাছি অবস্থান করছে।

সামরিকীকরণ কমানোর ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি, বিশ্বে ৫ম স্থান।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সামরিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখে; ন্যাটোর বাইরে থাকা ইউরোপের চার দেশের একটি।

রাজনৈতিক সন্ত্রাস কমেছে, অপরাধ সম্পর্কে জনমতের উন্নতি হয়েছে, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো সুপ্রতিষ্ঠিত।

৩. নিউজিল্যান্ড
এ বছর দুই ধাপ উন্নতি করে ৩য় স্থানে উঠে এসেছে।

নিরাপত্তা, সন্ত্রাস ও আন্দোলনের প্রভাব কমেছে।

ভৌগোলিক অবস্থান আন্তর্জাতিক সংঘাত থেকে দূরে রাখে।

কঠোর বন্দুক নিয়ন্ত্রণ আইন বিশ্বে অন্যতম।

বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

৪. অস্ট্রিয়া
এ বছর এক ধাপ নেমে ৪র্থ স্থানে।

নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সূচক এখনো শক্তিশালী।

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সংঘাতের হার খুবই কম।

ইউরোপের কেন্দ্রীয় অবস্থান সত্ত্বেও দীর্ঘদিন শান্তি বজায় রেখেছে।

৫. সিঙ্গাপুর
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শান্তিপূর্ণ দেশের শীর্ষে।

চলমান সংঘাত নিরসন ও নিরাপত্তা সূচকে অসাধারণ উন্নতি করেছে।

চলমান সংঘাত নিরসন সূচকে বিশ্বে ৪র্থ স্থান।

কোনো আন্তর্জাতিক সংঘাতে জড়ায়নি, সাম্প্রতিক সংঘাতজনিত মৃত্যুও নেই।

দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধ নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights