চট্টগ্রামে ডাকাতির ঘটনায় ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

দেড় যুগ আগে চট্টগ্রামে এক আইনজীবীর বাসায় ডাকাতির ঘটনায় ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদার এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. রাশেদ, মো. শামীম ওরফে বিহারী শামীম, স্বপন কুমার ত্রিপুরা, মহিউদ্দিন মুজিব, ফুল মিয়া, মাহবুব আলম, মো. শফি ও প্রিয়রঞ্জন ধর। এদের মধ্যে প্রিয়রঞ্জনকে দণ্ডবিধির ৪১২ ধারায় ১০ বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকার অর্থদণ্ড করা হয়েছে। বাকি ৮ জনকে ৩৯৫ ধারায় ১০ বছর এবং ৩৯৭ ধারায় সাত বছর কারাদণ্ড এবং উভয় ধারায় পাঁচ হাজার করে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এম এ ফয়েজ।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৬ সালের ২৯ জানুয়ারি নগরীর খুলশী থানার লালখান বাজার বাঘঘোণা মোড়ের বাসায় আইনজীবী আব্দুস সাত্তারের বাসায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। মামলায় সাত্তার অভিযোগ করেন, ডাকাত দল তার বাসায় দারোয়ানকে জিম্মি করে ঘরে ঢুকে এবং শয়নকক্ষে গিয়ে তাকে ও তার স্ত্রীকে হাত-মুখ বেঁধে অস্ত্রের মুখে নগদ এক লাখ ৩২ হাজার টাকা, ৩৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
আইনজীবী ফয়েজ জানান, এ ঘটনায় পুলিশ একই বছরের ২৭ ডিসেম্বর ১২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। রাষ্ট্রপক্ষের ১৪ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন। রায়ে ৯ জনকে দণ্ড প্রদানের পাশাপাশি মো. শিপন, আব্দুল্লাহ আল মামুন ও বিহারী রাশেদ নামে আরও তিন জনকে আদালত বেকসুর খালাস দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় খালাস পাওয়া শিপনসহ ছয়জন উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে বাকি পাঁচজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।

তিনি আরও জানান, ডাকাতির ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া মাহবুব আলম ও মহিউদ্দিন মুজিব আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বেশ কয়েক জনের নাম উল্লেখ করেছিলেন। তাদের মধ্যে রাশেদ, স্বপন ত্রিপুরা, ফুল মিয়াসহ চার জনকে টিআই প্যারেডে (আসামি শনাক্তকরণ মহড়া) শনাক্ত করেন বাদী ও তার স্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights