চবি শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী বইমেলা

চবি প্রতিনিধি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শুরু হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু বইমেলা’।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির উদ্যােগে চবি শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বরে আয়োজন করা হয়েছে তিন দিনব্যাপী বইমেলা।

‘স্মরণে বঙ্গবন্ধু, মননে বই সোনার বাংলায় সোনার মানুষ হই’ প্রতিপাদ্যে মেলা চলবে ১৯, ২০ ও ২১ মার্চ। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু থাকবে মেলা। এতে ২৭ টি স্টলে বিভিন্ন প্রকাশনার বই দেখতে ও ক্রয় করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।
রবিবার মেলার উদ্বোধন করেন চবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক বেনু কুমার দে। এরপর আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা। এতে উপস্থিত ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক বেনু কুমার, চবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ছিদ্দিকী, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলা উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ ড. মুহাম্মদ আলী আরশাদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল হক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান, সদস্য ড. রকিবা নবী, সদস্য অধ্যাপক ড. মোঃ দানেশ মিয়া, সদস্য ড. মোহাম্মদ শেখ সাদী প্রমুখ।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক বেনু কুমার দে। তিনি বলেন, মানুষকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে বই। বইমেলায় এসে মানুষ সঠিক ইতিহাস জানতে পারে। বই মেলার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের অতীত ইতিহাসকে সঠিকভাবে জানা। মানুষ তার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি বই পড়ার মাধ্যমে জানতে পারে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ছিদ্দিকী বলেন, বই হলো জ্ঞানের বাহন। বইয়ের মাধ্যমে মানুষ জ্ঞান চর্চা করতে পারে। পৃথিবীর সব মানুষ প্রতারণা করতে পারে। কিন্তু, বই কখনো মানুষের সাথে প্রতারণা করেনা। আমরা আশা করি এই বইমেলার মাধ্যমে জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চা এগিয়ে যাবে। বই পড়ে জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে আমরা আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরি করতে সক্ষম হবো।

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল হক বলেন, সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই বই মেলা আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো আমরা বইমেলা আয়োজন করেছি। সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় এবছরও বইমেলা আয়োজন করা হয়েছে।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন চবি শিক্ষক সমিতির সদস্য ও বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শেখ সাদী। তিনি বলেন, মানুষের যেকোনো সংকটের সময়ে বই পথ দেখায়। যেকোনো বিপর্যয়ের কালে বই অগ্রপথিক হিসেবে কাজ করে। তবে বর্তমান প্রজন্ম বইয়ের প্রতি বিমুখ। তাই আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে বইয়ের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে এই বই মেলা আয়োজন করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights