চাঁদপুরে ৩ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা
চাঁদপুর প্রতিনিধি:
চাঁদপুরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা নিরীক্ষার কাজে নিয়োজিত ৩টি প্রতিষ্ঠানে অপারেটরের কোন সনদ নেই। তন্মধ্যে একজন ইসিজি মেশিন পরিচালনা করেন, যার শিক্ষাগত যোগ্যতা ৭ম শ্রেণি। এমন তিন প্রতিষ্ঠানের মালিককে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।
সোমবার শহরে পৃথকস্থানে ৩ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: জাকারিয়া হোসেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত জানায়, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে শহরে মুক্তিযোদ্ধা সড়কে গ্রীণ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ওই প্রতিষ্ঠানে একজন ইসিজি মেশিন অপারেটর, যার শিক্ষাগত যোগ্যতা ৭ম শ্রেণি। ল্যাবে যারা কাজ করে তাদের কোন ধরণের সনদ নেই। ওই প্যাথলজিতে ঔষধ মেয়াদ উত্তীর্ণ। এক্স-রে রুমে লেডশিট ছিল না এবং সার্টিফিকেট নাই। এক্স-রে রুমে নিরাপত্তার জন্য লেডশিট নাই। এসব কারণে এই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া নিউ ডেলটা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক্স-রে মেশিন অপারেটরের এবিষয়ে কোন অভিজ্ঞতা ও সনদপত্র নেই। যে কারণে এই প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। নিউ ল্যাব ওয়ান ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক্স-রে মেশিন অপারেটরের সনদ না থাকায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: জাকারিয়া হোসেন বলেন, অভিযানের সময় রোগ নির্ণয়ের গুরুত্বপূর্ণ এই ৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ব্যাপক অনিয়ম এবং অদক্ষ কর্মী দিয়ে মেশিন পরিচালনার চিত্র ধরা পড়ে। এতে প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক পক্ষ ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে তাদের দায় স্বীকার করেন। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করে দেয়া হয়। যাতে পরবর্তীতে কোন অনিয়ম বা অসঙ্গতি ধরা পড়লে যেকোন ধরনের কঠোর ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ ইকবাল ও নাজমুল হুদা। এছাড়া একদল পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্য উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।
