জি-৭ সম্মেলনে রাশিয়ার কঠোর সমালোচনা, চীনকে সতর্ক

অনলাইন ডেস্ক

জাপানের হিরোশিমায় চলমান তিন দিনের জি-২০ সম্মেল শেষ হবে রবিবার। এবারের সম্মেলনে জি-৭ জোটভুক্ত দেশগুলোর নেতারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন। এ ছাড়া চীনকে সামরিকীকরণের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান থেকে ফেলা পারমাণবিক বোমার ভয়াবহতার শিকার হয়েছিল জাপানের হিরোশিমা শহর। সেই শহরে গত শুক্রবার সকালে শুরু হয়েছে বিশ্বের ধনী দেশগুলোর জোট জি-৭-এর শীর্ষ সম্মেলন। এই সম্মেলনে আরও যোগ দিয়েছেন জি-৭-এর আউটরিচ নামে পরিচিত আরও আট দেশের নেতারা। এই তালিকায় রয়েছে ভারত, ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশ।

এবারের জি-৭ সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে প্রাধান্য পেয়েছে ইউক্রেন ইস্যু। তারা পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্বের ধারণা বাস্তবায়নে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বিশ্বকে নতুন করে পরমাণু ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেওয়ার জন্য আবারও রাশিয়ার কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি ও কানাডা ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে যে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এবং চীন নিয়ে যে উদ্বেগে পড়েছে, তার প্রতিফলন ঘটেছে এবারের সম্মেলনে। চীন ঘিরে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও তাইওয়ান ইস্যুটি নিয়ে আলোচনা করেছেন তারা।
সেমিকন্ডাক্টর থেকে শুরু করে মূল্যবান ধাতব পদার্থের সরবরাহব্যবস্থার ক্ষেত্রে চীনের ভূমিকা নিয়ে বেশ উদ্বেগে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জি-৭-এর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চীনের সঙ্গে ভবিষ্যতের লেনদেন নিয়ে একটি সাধারণ কৌশল নির্ধারণ করা হবে। এই কৌশল জি-৭ভুক্ত সব দেশের জন্য প্রযোজ্য হবে।

জি-৭ নেতাদের দেওয়া বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসন বন্ধ করতে রাশিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য চীনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। এ ছাড়া দ্রুত শর্তহীনভাবে ইউক্রেন থেকে সম্পূর্ণ রুশ সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছি।’

জি-৭ নেতারা সতর্ক করে বলেন, যেসব দেশ বাণিজ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে, তাদের ফল ভোগ করতে হবে। এ সতর্কবার্তা মূলত বেইজিংয়ের প্রতি। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, অর্থনৈতিক নিপীড়ন চর্চা করে বেইজিং।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights