ঝিনাইদহে আলাল গ্রুপের লোগো ব্যাবহার করে ব্যবসা ও চাকুরির নামে চেক প্রতারণা
” হুসাইন কবীর সুজন ”
ঝিনাইদহে ব্যবসায় সহযোগিতা ও চাকুরি দেওয়ার নামে চেক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৫ অক্টোবর) সদর উপজেলার হামদহ বাইপাস এলাকায় গড়ে আলাল গ্রুপের ৭১ ফিড নামে এ অফিস উক্ত অফিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কর্মচারী ও একাধিক খামারিরা।কথিত ঝিনাইদহ অফিসে দায়িত্বরত ডি ডি এম ইমরান হোসেন এর সাথে কথা বল্লে তিনি সরকারের ভ্যাট ট্যাক্স এমন কি পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স ও দেখাতে পারিনি অথচ,৭১ ইন্টিগ্রেশন ফার্মের নামে সাধারণ খামারি দের কাছে মুরগীর বাচ্চা, খাবার, ঔষধ বিক্রি করে কোটি কোটি টাকার ব্যাবসা করছে। জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত ব্যবসায় করে অবৈধ ভ্যাট-ট্যাক্স লাইসেন্সহীন এ প্রতিষ্ঠান কৃষক, কর্মচারী সকলের সাথে ব্যবসায় করার নিমিত্তে রমরমা প্রতারণা শুরু করে। এ প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১০ টি জেলায় এমনভাবে প্রতারণা করে হারিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ঐ প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী মাহমুদুর রহমান আকাশ জানান, দীর্ঘদিন আমরা কাজ করছি। প্রথমে বুঝতে পারিনি এর কোন লাইসেন্স নেই। কোম্পানিটি রংপুর জেলা থেকেই তাদের অফিস গুটিয়ে পালিয়েছে। আমাদের মাধ্যমে অসহায় কৃষকদের হতে ব্লাঙ্ক চেক নিয়ে বর্তমানে তাদের সাথে বিভিন্নভাবে ব্লাকমেইল করতেছে। আমরা আমাদের কয়েক মাসের বেতন চেক ও কৃষকদের চেক ফেরত পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। উক্ত প্রতিষ্ঠানের আর একজন ভুক্তভোগী কর্মচারী মোঃ হুসাইন কবীর সুজন জানান চাকরির কথাবলে আমার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ দুই টা ব্লাঙচেক নেই চারমাস চাকরি করার পর আমার দুই মাসের বেতন বাকি রেখে পূর্বেকোন নটিশ ছাড়াই চাকরি থেকে বাদ দিয়ে দেয়।
অফিসের দ্বায়িত্বরত ডি ডি এম ইমরান হোসেন এর চাকরি না থাকার কারন ও দুই মাসের বকেয়া বেতন চাইতে গেলে তার কাছে রক্ষিত ব্লাইঙ চেক দিয়ে মামলার হুমকি দেয়। এরকম বেশ কিছু খামারিদের সাথে কথা বল্লে তারাও নানা অভিযোগ করেন।
সাধারণ ও সুধী সমাজের প্রশ্ন , প্রশাসনের নাকের ডগায় সরকারের ভ্যাট,ট্যাক্স ফাকি দিয়ে ট্রেড লাই চেঞ্জ বিহিন আলাল গ্রুপের লোগো ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকার ব্যাসা করছে কি ভাবে?
