ঠাকুরগাঁওয়ে মিশ্র ফলের বাগানে সাফল্য
আব্দুল লতিফ লিটু, ঠাকুরগাঁও:
ঠাকুরগাঁওয়ে মিশ্র ফলের বাগান করে সাফল্য পেয়েছে দুই ভাই। তাদের এই সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রতিদিন ছুটে আসছেন অনেকেই। শখের বসে করা বাগান এখন ব্যবসায় রূপান্তরিত হয়েছে। অনেকেই তাদের থেকে পরামর্শ নিয়ে এ ধরনের বাগান করার পরিকল্পনা করছে।
সারেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের বাসিন্দা রাজু মিয়া ও আমিনুল ইসলাম। শখের বসে পাঁচ বছর আগে বাড়ির পাশে খালি পড়ে থাকা ৭ শতক জমিতে গড়ে তোলেন মিশ্র ফলের বাগান। পরিবারের মানুষের জন্য পুষ্টিকর ও বিষমুক্ত ফল খাওয়ার আশায় বাগান করলেও এখন তা বাণিজ্যিক রূপ নিয়েছে। প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ করে এই বাগানে বিভিন্ন জাতের ৮০-৯০টি ফলের গাছ রোপন করেন তারা। এখন পর্যন্ত এই বাগান থেকে ৩ লাখ টাকার ফল বিক্রি করেছেন তারা।
আম, লটকন, কামরাঙ্গা, ডালিম, আঙ্গুর, জাম্বুরা, কমলাসহ প্রায় ৯০টি ফল গাছ রয়েছে তাদের এই বাগানে। এছাড়া ৫০টি সুপারি গাছও রয়েছে বাগান ঘিরে। এলাকায় সফল বাগানী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন তারা।
বাগান মালিক আমিনুল ইসলাম ও রাজু মিয়া বলেন, পরিবারের মানুষের জন্য পুষ্টিকর ও বিষমুক্ত ফল খাওয়ার আশায় করা হয়েছিলো এই ফলের বাগান। তবে একটি সময় শখের বসে করলেও এখন তা বাণিজ্যিক রূপ নিয়েছে। অল্প খরচে লাভবান হয়েছেন তারা।
ফল নিতে এসেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ফারুক, ওমরসহ কয়েকজন। তারা জানান,বাসার পাশে পরিত্যক্ত জমি ব্যবহার করে এমন ফলবাগান করা যায় আগে যানা ছিলোনা। আমরা তাদের কাছে পরামর্শ নিয়েছি কিভাবে করে এমন বাগান করা যায়। সেই সাথে এখান থেকে ফল ও কিনে নিয়েছি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আলমগীর কবির বলেন, উন্নত কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে পতিত জমি চাষের আওতায় আনা গেলে পারিবারিক চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
