ডেঙ্গুর হটস্পট চট্টগ্রামের পাঁচ এলাকা

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম
‘চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর ৭৫ ভাগ রোগীই ডেন-২ সেরোটাইপে (ধরন) আক্রান্ত ছিলেন। একই সঙ্গে বিরল ডেন-১ সেরোটাইপেও আক্রান্ত হয়েছেন ১১ শতাংশ মানুষ। আক্রান্তের ৬৫ শতাংশ পুরুষ ও ৩৫ শতাংশ মহিলা এবং রোগীর প্রতি পাঁচজনে ছিল একটি শিশু।’ ডেঙ্গু নিয়ে ছয় প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় চট্টগ্রাম নগরের পাঁচটি এলাকাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।চ ট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মেডিসিন ও পেডিয়াট্রিকস বিভাগ, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রফিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি), আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) এবং নেক্সট জেনারেশন সিকোয়েন্সিং, রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন ল্যাব চিটাগং গবেষণাটি পরিচালনা করে। গবেষণায় নেতৃত্ব দেন চমেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এম এ সাত্তার। চট্টগ্রামের বেসরকারি এসপেরিয়ার হেলথ রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে ১০ জুলাই থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত গবেষণাটি পরিচালিত হয়। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের ১ হাজার ৫৫০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর তথ্য নিয়ে গবেষণাটি করা হয়। গবেষণার সহগবেষক চমেক হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মারুফ উল কাদের বলেন, গবেষণায় চট্টগ্রামের ৯৯ শতাংশ রোগীর মধ্যে জ্বরের প্রাধান্য দেখা গেছে। কিন্তু শিশুদের ক্ষেত্রে তা ছিল ১০০ শতাংশ। স্বল্পশিক্ষিত মানুষের মাঝে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি ছিল। পঞ্চম শ্রেণির বেশি পড়াশোনা করেনি এমন ডেঙ্গু রোগী ছিল ৪৫ শতাংশ। সেরোটাইপ-১ পাওয়াদের মধ্যে ৭০ শতাংশই ছিল শিশু। আক্রান্ত শিশুর ৭০ শতাংশই শহর এলাকার। চবি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান বলেন, চট্টগ্রামের ৬০ শতাংশ ডেঙ্গু রোগীর আবাসস্থল নগরের পাঁচটি এলাকায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights