তিন সপ্তাহে ১০০ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি স্থগিত : বিজিএমইএ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সাধারণ শ্রমিকরা সহিংসতার সঙ্গে জড়িত নয় জানিয়ে বিজিএমইএ বলছে, তিন সপ্তাহে ১০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের রপ্তানি স্থগিত করা হয়েছে।

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, গত বুধবার থেকে সব কারখানায় কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে এবং শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কারখানায় উপস্থিত থেকে কাজ করেছে। এটা ঘটেছে কারণ, সাধারণ শ্রমিকরা সহিংসতায় জড়িত ছিল না এবং তারা জানত কী ঘটছে।

তিনি বলেন, আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানাই, বিশেষ করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ, শ্রমিক ফেডারেশন এবং উদ্যোক্তাদের, যারা দিনরাত কাজ করেছেন এবং শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আমাদের সমর্থন করেছেন, সহযোগিতা দিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে ফারুক হাসান বলেন, আমরা এ শিল্পে কোনো সহিংসতা বা প্রাণহানি সমর্থন করি না। বিজিএমইএ আর্থিক সহায়তা নিয়ে নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। যখন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মজুরি আলোচনার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া চলছিল এবং সব পক্ষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হচ্ছিল, শ্রমিকদের প্রতি সবাই অনেক বেশি সহানুভূতিশীল ছিলেন, যখন শিল্প ন্যূনতম মজুরি বোর্ড ঘোষিত নতুন মজুরি মেনে নেয় এবং এটি বাস্তবায়নের জন্য সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেয়, তখন আমাদের প্রশ্ন, কার স্বার্থে এমন নৃশংস কর্মকাণ্ড করা হয়েছে? প্রকৃতপক্ষে, শিল্পটি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সপ্তাহ হারিয়েছে, শত মিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের রপ্তানি স্থগিত করা হয়েছে, রেগুলার বিলগুলোর গণনা হচ্ছে এবং সর্বোপরি একটি শিল্প এবং একটি জাতি হিসেবে আমাদের স্থিতিশীলতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। একজন উদ্যোক্তা, যিনি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করেন এবং কারখানা চালানোর জন্য রিয়েল-টাইম লায়াবিলিটি গ্রহণ করেন, তিনি অবশ্যই তার শ্রমিক বা ক্রেতাদের অস্থিতিশীল করতে চান না। যেখানে গত এক দশকে আমরা ন্যূনতম মজুরি ৩১৬% বাড়িয়েছি; যেখানে গত এক দশকে আমরা আমাদের শ্রমিকদের জন্য বিশ্বমানের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছি এবং ক্লিনার ও গ্রিন ম্যানুফ্যাকচারিং প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করেছি, সেখানে উদ্যোক্তাদের জন্য অগ্নিসংযোগ এবং ধ্বংস কোনো অবস্থাতেই একটি বিকল্প নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights