নোয়াখালীতে ঘুমের মধ্যে শিশুর মৃত্যু

নোয়াখালী প্রািতনিধি
নোয়াখালী সেনবাগে ঘুমের মধ্যে চার মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের জিরুয়া পশ্চিম পাড়া আলী আহম্মদ মাষ্টার বাড়িতে ঘটে।

নিহত লাইবা স্থানীয় ব্যবসায়ী জিয়াউল হক লিটনের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে লাইবা সবার ছোট। সকাল ১০টার দিকে শিশুটির মা শারমিন আক্তার শিশুটিকে নিজেদের শোবার কক্ষে ঘুমিয়ে রেখে পরিবারের গৃহস্থালির কাজে যান। পরে রুমে এসে দাখেন শিশু লাইবা অচেতবস্থা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তাৎক্ষণিক তাকে স্বজনেরা সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.কামাল হোসেন বলেন, শিশুটিকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়। ওই সময় স্বজনেরা কি কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে এ বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কি কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে এ বিষয়ে সঠিক ভাবে আমরা কিছু বলতে পারবনা। ময়না তদন্ত করলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। আমরা যেটা ধারণা করি, লম্বা সময় ধরে যদি শিশুকে খাবার না দিয়ে রাখা হয়। অথবা ঘুমের মধ্যে কোন কিছু কামড় দিলে। তবে শরীরে কামড়ের কোন চিহৃ ছিলনা। কিছু লাল দাগ ছিল। যা রক্ত জমাট বাঁধার লক্ষণ ছিল।

এ বিষয়ে সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।
জিয়াউল হক লিটনের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে লাইবা সবার ছোট। সকাল ১০টার দিকে শিশুটির মা শারমিন আক্তার শিশুটিকে নিজেদের শোবার কক্ষে ঘুমিয়ে রেখে পরিবারের গৃহস্থালির কাজে যান। পরে রুমে এসে দাখেন শিশু লাইবা অচেতবস্থা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তাৎক্ষণিক তাকে স্বজনেরা সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.কামাল হোসেন বলেন, শিশুটিকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়। ওই সময় স্বজনেরা কি কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে এ বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কি কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে এ বিষয়ে সঠিক ভাবে আমরা কিছু বলতে পারবনা। ময়না তদন্ত করলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। আমরা যেটা ধারণা করি, লম্বা সময় ধরে যদি শিশুকে খাবার না দিয়ে রাখা হয়। অথবা ঘুমের মধ্যে কোন কিছু কামড় দিলে। তবে শরীরে কামড়ের কোন চিহৃ ছিলনা। কিছু লাল দাগ ছিল। যা রক্ত জমাট বাঁধার লক্ষণ ছিল।

এ বিষয়ে সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights