নোয়াখালীতে বিএনপির এক পক্ষের মানববন্ধনে অন্য পক্ষের নেতৃত্বে হামলা, আহত ৫

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে ঠিকাদারী কাজে বাধা, হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে আয়োজিত বিএনপির এক পক্ষের মানববন্ধনে বিএনপির অপর পক্ষের গাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এসময় সাংবাদিকসহ অন্তত ৫জন আহত হয়েছে। বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে হামলার এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় হামলাকারীরা গণমাধ্যমকর্মীদের লক্ষ্য করে এবং নোয়াখালী প্রেসক্লাবে ব্যাপক ইট পাটকেল মারতে থাকে। এ সময় সড়কে থাকা একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসও ভাঙচুর করা হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিক মাওলা সুজনকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় হামলাকারীরা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা যায়, দুপুর ১২টার দিকে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও ঠিকাদার আবদুল করিম মুক্তার নেতৃত্বে হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। নোয়াখালী শহর বিএনপির সভাপতি আবু নাছেরের সমর্থিত গ্রুপ আবদুল করিম মুক্তার ঠিকাদারী কাজে বাধা, এস্কেভেটর মেশিন ভাঙচুর ও শ্রমিকদের কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠে। মানববন্ধন কর্মসূচির শেষের দিকে হঠাৎ করে আবু নাছেরের সমর্থিতরা ২৫-৩০ জন মানববন্ধনে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীদের ইটপাটকেলের আঘাতে সাংবাদিকসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়। ভাংচুর করা হয় যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস। খবর পেয়ে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ ও সেনবাহিনীর একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

যোগাযোগ করা হলে নোয়াখালী পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আবু নাছের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, শহরের রাজনীতিতে দলীয় কোন্দল রয়েছে। এ হামলার সাথে আমিও আমার ভাই জড়িত নই। এই ঠিকাদারী কাজও মুক্তার নই। ঠিকাদার ইসমাইল এর কাজটি মুক্তায় করছিল এবং এই নিয়ে মাটির কাজ নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব ছিল। মুক্তা সাবেক মেয়র হারুন রশিদ আজাদের সমর্থিত বলে তিনি জানান। আবদুল করিম মুক্তা জানান নাসেরের সমর্থিরা অতর্কিত এসে আমাদের মানবন্ধনে হামলা চালিয়েছে।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনো কেকউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights