পাহাড়ে স্বস্তির বৃষ্টিতে বিষাদ: বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৩ জনের

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি

দীর্ঘদিনের টানা তাপপ্রবাহের পর এক পশলা বৃষ্টিতে যেনো স্বস্তি ফিরেছে পাহাড়ে। কিন্তু এ আনন্দ মুহূর্তে হয়ে গেলো বিলিন। পরিণত হলো বিষাদে। বৃষ্টি সাথে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো তিনজনের। তারা হলেন- বাহারজান বেগম (৫৫), তনিবালা ত্রিপুরা গৃহিনী (৩৭) ও মো. নজির আহমেদ (৫০)। এসময় বজ্রপাতে আহত হয় আরও ৭জন।

বৃহষ্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও রাঙামাটি শহরের পৃথক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভোর ৬টা থেকে রাঙামাটিতে শুরু হয় তীব্র বাতাস আর গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। এসময় বৃষ্টির সাথে শুরু হয় বজ্রপাত। বৃষ্টি দেখে পাহাড়ের মানুষ উচ্ছ্বসিত হয়ে বাইরে গেলে বজ্রপাতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার রূপাকারী ইউনিয়নের মুসলিম ব্লকের বাসিন্দা বাহারজান বেগম (৫৫) ও সাজেক ইউনিয়নের বেটলিং মৌজার লংথিয়ান পাড়ার বাসিন্দা তনিবালা ত্রিপুরা গৃহিনী (৩৭)। একইভাবে মৃত্যু হয় রাঙামাটি শহরের রাঙামাটি শহরের সিলেটি পাড়ার বাসিন্দা মো. নজির আহমেদ (৫০)। এসময় বজ্রপাতে আহত হয় আরও ৭জন।
রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. শওকত আকবর বলেন, বজ্রপাতে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মৃত তিনজনকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
রাঙামাটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরীন আক্তার বলেন, বৃষ্টি দেখে মানুষ আনন্দীত হয়ে অসচেতনভাবে বাইরে বের হয়ে বজ্রপাতের শিকার হয়েছেন অনেকে। তবে বৃষ্টিটা এতো ভারি ছিল না। কিন্তু অনেক বজ্রপাত ছিল। তাই বৃষ্টি দেখলে খুসিতে বাইরে যাওয়া যাবে না। গাছের নিচে। কিংবা বাড়ির ছাদে যাওয়া যাবে না। কম সময়ের জন্য বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ অনেকটা কম অনুভব হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights