পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি, গ্রেফতার ৭
মুন্সীগঞ্জের ঢাকা-দোহার সড়কে পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার ও লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৪ নভেম্বর) মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।
পুলিশ সুপার জানান, নবাবগঞ্জ থানার স্বর্ণ ব্যবসায়ী রামপ্রসাদ হালদার গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকায় স্বর্ণ বিক্রি শেষে স্বর্ণ বিক্রির নগদ ৪৭ লাখ টাকা ও অবিক্রিত ৩ ভরি স্বর্ণসহ ঢাকা থেকে নবাবগঞ্জ থানার বান্দুরা বাজারের উদ্দেশ্যে আসছিলেন। বিকেল ৪ টার দিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ঢাকা-দোহার মহাসড়কের মরিচা কাউন্টার এলাকায় পৌছাঁলে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে গাড়ি থেকে নামিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মারধর করে নগদ ৪৭ লাখ টাকা ও ৩ ভরি স্বর্ণ ডাকাতি করে পালিয়ে যায়। ডাকাতি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পুলিশ হাবিবুর রহমান নামের একজন ডাকাতকে গ্রেফতার করে। এ বিষয়ে ঘটনার দিন সিরাজদিখান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী রামপ্রসাদ হালদার। মামলার পর থেকে পুলিশ অভিযানে নামে। রবিবার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মুন্সীগঞ্জ ও ঢাকাসহ বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার, ৭ লাখ টাকা ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত একটি মটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন- রনি (৪৮), রানা (৪২), শামিম (৪২), সায়মন (৩২), মমিন (৪২), সুজন (৩০), সমির (৪২)।
পুলিশ জানায় গ্রেফতারকৃত ডাকাত সদস্য রনির বিরুদ্ধে ৩টি, সিরাজুল হাসান জাবেদ ওরফে রানার বিরুদ্ধে ৭টি, সায়মনের বিরুদ্ধে ৪ টি ও সুজনের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতাকৃত ডাকাতরা আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য এবং বিভিন্ন সময় তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে।
