প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে অতি দ্রুত উদ্বোধন করা হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর : সংস্কৃতিমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, সরকারের সুনির্দিষ্ট আইনি বিধি-নিষেধ ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের প্রস্তুতি চলছে। মঙ্গলবার দুপুরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।
সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বিগত ১৮ বছরের দুঃশাসন ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিকে অম্লান রাখতে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
এই গণ-অভ্যুত্থানের গভীরতা, ব্যাপকতা এবং এর মূল তাৎপর্য বিশ্লেষণ করেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রকল্পকে আরও নিখুঁত ও স্থায়ী রূপ দেওয়ার জন্য কিছু কাঠামোগত পরিবর্তন ও আইনি পরিমার্জন আনছে।
জাদুঘর উদ্বোধনে বিলম্ব এবং ব্যয় সংক্রান্ত বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জাদুঘর পরিচালনার জন্য একটি শক্তিশালী পরিচালনা পর্ষদ ইতোমধ্যে গঠন করা হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালককে এখানে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু একটি পূর্ণাঙ্গ জাদুঘর পরিচালনায় স্থায়ী জনবল কাঠামো ও সুনির্দিষ্ট অর্গানোগ্রাম প্রয়োজন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আইনি অনুমতি ও বিধিমালা সংশোধনের প্রক্রিয়ার কারণে কিছুটা সময় ব্যয় হয়েছে। নির্মাণ ও সংস্কার কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হওয়ার পথে।
তিনি আরও বলেন, আগামী দুই-একদিনের মধ্যে নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভায় জনবল নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। এরপরই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুবিধাজনক সময় ও অনুমতি সাপেক্ষে অতি দ্রুত একটি সুনির্দিষ্ট তারিখে এই স্মৃতি জাদুঘর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ কানিজ মওলা।
