বরিশালে ১২ জেলে আটক
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল:
বরিশালের চরমোনাই থেকে কর ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে আনা ১১ হাজার মেট্রিকটন কয়লা বোঝাই কার্গো ও ১২ জন চোরাকারবারীকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।
বৃহস্পতিবার ভোর রাতে উদ্ধার ও আটক অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে কোস্টগার্ডের দক্ষিন জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে কোস্টগার্ডের পেটি অফিসার কন্টিনজেন্ট কমান্ডার এম সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা করেছেন। আসামীদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজসে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে চোরাই পথে এনে কালোবাজারে বিক্রি ও হেফাজতে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামীদের শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
জেলে যাওয়া চোরাকারবারীরা হলেন- নড়াইলের লোহগড়া উপজেলার চাচই এলাকার ইসাহাক ফকিরের ছেলে রাসেল ফকির (৪৩), একই এলাকার রুমি ফকিরের ছেলে ইয়ামিন ফকির (২৮), মৃত মালেক মোল্লার ছেলে মশিউর রহমান (৫৬), মনিরুল ইসলামের ছেলে আরাফাত (১৮), আড়পাড়া এলাকার শেখ জাবের হোসেনের ছেলে শামীম রেজা (২৮), ইতনা এলাকার বাদশা মোল্লার ছেলে মিরাজুল ইসলাম রাব্বি (২৫), দেবাদহ গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে জুবাইর মোল্লা (২৩), ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বড়বাগ এলাকার সৈয়দ আবু উবাল হকের ছেলে মো. ভাসানী (৬০), একই উপজেলার সাতবাড়িয়া এলাকার মৃত সামসু শেখের ছেলে বাবুল শেখ (৪২), বোয়ালমারী পচা মাগুরা গ্রামের শুক্কুর শেখের ছেলে হাফিজুর শেখ (২২), যশোরের অভয়নগর উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকার ইউনুস শেখের ছেলে সাকিব শেখ (২২) ও গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার উত্তর পাকুরতিয়া এলাকার আজিজ মোল্লার ছেলে সাইফুল মোল্লা (২৮)।
কোস্টগার্ডের দক্ষিন জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের অন্তরা ঘাট খালের মুখে কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে একটি কার্গো অবস্থান করছে। এ খবরে অভিযান করে এমভি সাফাতউল হক-৪ নামের কার্গো বোঝাই ১১ হাজার মেট্রিক টন কয়লাসহ ১২ পাচারকারীকে আটক করা হয়। জব্দ করা কয়লার বাজার মুল্যে আনুমানিক এক কোটি ১০ লাখ টাকা। আটককৃতরা শিকার করেছে জব্দ করা কয়লা কর ফাঁকি দিয়ে কালোবাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছিলো।
আদালতের কোতয়ালী মডেল থানার জিআরও এসআই হুমায়ন কবির বলেন, এ ঘটনায় করার মামলার আসামী হিসেবে ১২ জনকে জেলে পাঠানো হয়েছে।
