মাদরাসার ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে আটক ১
গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
পটুয়াখাালীর গলাচিপায় হাফিজিয়া মাদরাসার ছাত্রী সানিয়াকে ধর্ষণ করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে একই বাড়ির হাসান বিশ্বাস (২২) এর উপর অভিযোগ তুলেছেন সানিয়ার মা সাহিদা ও তার পরিবার। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হাসান বিশ্বাসকে আটক করেছে গলাচিপা থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া গ্রামে সোমবার। এ ঘটনায় সানিয়ার বাবা মো. মফিজুল বিশ্বাস হাসান বিশ্বাসকে অভিযুক্ত করে বুধবার গলাচিপা থানায় ৩০২/৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলাসূত্রে জানা যায়, গলাচিপা উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া গ্রামে মো. মফিজুল বিশ্বাসের স্ত্রী সোমবার সকালে তার দুই কন্যা নিয়ে মরিচ তুলতে নিজ ক্ষেতে যান। সকালে বড় মেয়ে সাদিয়া স্কুলে যায়। আর সানিয়া খাবারের উদ্দেশ্যে বাড়ি আসে। বাড়িতে সানিয়াকে একা পেয়ে হাসান বিশ্বাস প্রথমে ধর্ষণ করে পরে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে সানিয়াকে হত্যা করে। সানিয়ার মা সাহিদা বেগম ক্ষেত থেকে বাড়িতে এলে ঘরের আড়ার সাথে সানিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। এ সময় হাসান বাড়িতে অবস্থান করছিলনা। এ সময় হাসানের মা মাসুদা বেগম বারবার বলে সানিয়া মেয়ে মানুষ, ময়নাতদন্ত করা লাগবে না, এতে আত্মায় শান্তি পাবে না। এতে হাসানের পরিবারের প্রতি সন্দেহ ঘনিভূত হলে বাদীর বড় ভাই জহিরুল ইসলাম গলাচিপা থানায় বিষয়টি অবহিত করেন। সোমবার লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার হাসান বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে মাছ ধরতে গেলে সানিয়ার চাচা জহিরুল ইসলাম ট্রলাারযোগে হাসানকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে।
এ ব্যাপারে গলাচিপা থানার তদন্ত অফিসার এসআই আব্দুর রহমান জানান, ময়নাতদন্ত ছাাড়া কোন কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাসানকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ১০দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে।
